'লক্ষ্মণ রেখা টানুন বাড়িতে', করোনা ইস্যুতে সোশ্যাল ডিসটেন্সিং নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি মোদীর
করোনা রুখতে একমাত্র উপায়'সোশ্যাল ডিসটেন্সিং' ই ! জাতিকে সতর্ক করে বড় বার্তা মোদীর
আজ মধ্যরাত থেকে গোটা দেশ লকডাউনের আওতায় থাকবে। আর এই লকডাউন আগামি ৩ সপ্তাহের জন্য। ১৪ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এই লকডাউন থাকবে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এক অভূতপূর্ব সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ভারত। আর সেই প্রেক্ষাপটেই এমন ঐতিহাসিক ঘোষণা এদিন করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।

'সোশ্যাল ডিসনেন্সিং' এর বার্তা
যে কারণে গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষকে ঘরবন্দি হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছিল সেটি ছিল সোশ্য়াল ডিসটেন্সিং। করোনার হানার জেরে এই মুহূর্তে একমাত্র ওষুধ সোশ্যাল ডিসটেন্সিং। যাতে মানুষের সঙ্গে মানুষের বাহ্যিক দূরত্ব কমে , তার জন্যই এমন বার্তা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞদের। সেই সুরেই এদিন প্রধানমন্ত্রীও কড়া বার্তা দেন সোশ্যাল ডিসটেন্সিং নিয়ে। তিনি বলেন, ' কিছু লোকের অবহেলার কারণে আগামী দিনে আমাদের প্রত্যেককেই বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। এবং তা কতটা ভয়াবহ তার আন্দাজ কেউ করতে পারবেন না'

কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী?
'সোশ্যাল ডিসটেন্সিং একমাত্র পন্থা। যাতে সুরক্ষিত থাকা যায় ও করোনা রোখা যায়। একে অপরের থেকে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চলুন। নিজের বাড়িতে থাকুন।' এদিন এমনই বার্তা দেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।

লক্ষ্ণণ রেখা টানার বার্তা
যে দেশে করোনা মোকাবিলা করা গিয়েছে সফলভাবে। সেখানে নাগরিকেরা সরকারের কথা শুনে চলেছেন। বাইরে বেরোননি। ফলে মন্ত্র একটাই, ঘর থেকে বেরোনো যাবে না। তাতে যা খুশি হয়ে যাক বাইরে। ঘরের দরজার লক্ষণরেখা পেরোনো যাবে না। বললেন মোদী।

সোশ্যাল ডিসটেন্সিং নিয়ে বিশেষজ্ঞ রিপোর্টের বার্তা
আইসিএমআর জানিয়েছে, যদি দেশের মানুষ একযোগে আপাতত বাড়ি বন্দি থাকেন আর নিজের সঙ্গে অন্যের দূরত্ব বজায় রাখেন,তাহলে গোটা দেশে ৬২ শতাংশ করোনার হামলা রোখা যেতে পারে। শতাংসের বিচারে এই পরিসংখ্যানটা নেহাত কম নয়।

আইসিএমআর -এর কড়া বার্তা
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএম আর সাফ বার্তায় জানিয়ে দিয়েছে যে যাঁদের মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা যাবে , তাঁদের যেন অবশ্যই গৃহবন্দি করা হয়। ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন প্রয়োজন। তাতে যেভাবে করোনা ছড়াচ্ছে তা রোখা সম্ভব।












Click it and Unblock the Notifications