Smart Phone Impact: বিবাহিত দম্পতিদের সম্পর্ক খারাপের পিছনে কতটা দায়ী স্মার্টফোন, সমীক্ষায় চাঞ্চল্যকর তথ্য
স্মার্টফোন যেমন মানুষকে এগিয়েছে, ঠিক তেমনই অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিও করেছে। শিশু বিশেষজ্ঞরা শিশু-কিশোরদের স্মার্ট ফোন থেকে দূরের রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু এইসব শিশু কিশোরদের বাবা-মায়েদের ক্ষেত্রেও সমীক্ষায় উল্লেখযোগ্
স্মার্টফোন যেমন মানুষকে এগিয়েছে, ঠিক তেমনই অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিও করেছে। শিশু বিশেষজ্ঞরা শিশু-কিশোরদের স্মার্ট ফোন থেকে দূরের রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু এইসব শিশু কিশোরদের বাবা-মায়েদের ক্ষেত্রেও সমীক্ষায় উল্লেখযোগ্য তথ্য উঠে এসেছে। একটি স্মার্টফোন কোম্পানির সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে ভারতের অধিকাংশ দম্পতি মনে করেন স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার তাঁদের সম্পর্কের ক্ষতি করেছে।

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ওপরে স্মার্টফোনের প্রভাব
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ওপরে স্মার্টফোনের প্রভাব নিয়ে একটি মোবাইল নির্মাতা সংস্থার 'সুইচ অফ' স্টাডির চতুর্থ সংস্করণের রিপোর্ট এদিন প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ বলছেন, স্মার্টফোনে সময় কাটানো তাদের আরাম করার সব থেকে পছন্দের উপায়।
সমীক্ষায় অংশ নেওয়া আশি শতাংশের বেশি মানুষ মনে করেন, স্মার্টফোন তাদের অঙ্গীভূত হয়ে গিয়েছে, তাকে আলাদা করা যাবে না। সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, স্বামী কিংবা স্ত্রীরা প্রতিদিন প্রায় ৫ ঘন্টার মতো সময় ব্যয় করেন স্মার্ট ফোনে। অনেকে আবার বলেছেন, অতিরিক্ত স্মার্ট ফোন ব্যবহারে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে প্রভাব পড়বে। অন্তত ৭০ শতাংশ স্বামী কিংবা স্ত্রী বলছেন, স্মার্ট ফোনে ডুবে থাকা অবস্থায় কিছু জিজ্ঞাসা করলে তারা বিরক্ত হন।

প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো কমিয়ে দিচ্ছে
সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা বলছেন, স্মার্টফেনের অত্যধিক ব্যবহার তাঁদের প্রিয়জনের সঙ্গে কাটানো সময়ের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছে। আবার একটা অংশ বলছেন, তাঁরা ফোনে বিভ্রান্ত না হয়ে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন।

জীবনের মান উন্নত হয়েছে
স্মার্টফোনে আসক্তি, সম্পর্কে প্রভাব, এতকিছুর মধ্যেও এর ভাল দিকও বেরিয়ে এসেছে। ৮০শতাংশের বেশি মানুষ বলছেন স্মার্টফোন ব্যবহারে কোনও সংবাদ এবং তথ্যের অনুসন্ধানের মাধ্যমে তারা নিজেদের জ্ঞান বৃদ্ধি করতে পারছেন। এছাড়াও প্রায় সম সংখ্যক মানুষ মনে করছেন, স্মার্টফোন তাদের জীবনযাত্রার মান এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ মনে করেন স্মার্টফোনের ব্যবহারে প্রিয়জনদের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারছেন। আবার ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ মনে করছেন তাদের কিছু কেনাকাটার প্রক্রিয়ায় সাহায্য করছে স্মার্টফোন।

সমীক্ষা চালানো হয় মেট্রো শহরগুলিতে
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মার্টফোন নিয়ে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, চেন্নাই, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, আহমেদাবাদ এবং পুনের মতো শহরে। এই সমীক্ষার জন্য প্রায় হাজার খানেক দম্পত্তিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications