Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

SM Krishna: রাজনীতিতে বর্ণময় কেরিয়ার, বেঙ্গালুরু গড়ার নেপথ্যের কারিগর এস এম কৃষ্ণ সামলেছেন একাধিক গুরুদায়িত্ব

SM Krishna dies: বেঙ্গালুরুর বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Ex Karnataka CM) তথা ভারতের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী (Former Foreign Minister) এস এম কৃষ্ণের। বেঙ্গালুরুকে সিলিকন ভ্যালি তকমা এনে দেওয়ার নেপথ্যের কারিগর ছিলেন তিনি। শিক্ষা থেকে রাজনৈতিক কেরিয়ার, বর্ণময় জীবন এস এম কৃষ্ণের।

কর্ণাটকের সোমানাহল্লিতে (Somanahalli) জন্মগ্রহণ করেন এস এম কৃষ্ণ। মার্কিন ফুলব্রাইট স্কলারশিপ পেয়েছিলেন তিনি। টেক্সাসের ডালাসে সাদার্ন মেথোডিস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও পরে জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা। ১৯৬০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন ফিটজেরাল্ড কেনেডির সমর্থনে প্রচার সেরেছিলেন তিনি। ধন্যবাদ জ্ঞাপনে তাঁকে ব্যক্তিগত চিঠিও লেখেন কেনেডি।

SM Krishna

ষাটের দশকে রাজনীতিতে পা তাঁর। ১৯৬২ সালে মাদুর বিধানসভা আসন থেকে কংগ্রেসকে হারিয়ে নির্দল হিসেবে জিতেছিলেন। পরে প্রজা সোশ্যালিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়ে ১৯৬৮-তে উপনির্বাচনে মান্ডিয়া কেন্দ্র থেকে জিতে লোকসভায় সাংসদ হিসেবে প্রবেশ এস এম কৃষ্ণের। এরপর ১৯৭১ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি।

১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন সোমানাহল্লি মালাইয়া কৃষ্ণ ওরফে এস এম কৃষ্ণ। বেঙ্গালুরুতে টেকনোলজি হাব গড়ার কৃতিত্ব তাঁরই। পরিকাঠামোয় ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়েছিলেন এস এম কৃষ্ণ।

বেঙ্গালুরুকে ভারতের সিলিকন ভ্যালি তকমা এনে দিয়েছিলেন এস এম কৃষ্ণই। পিপিপি মডেল অর্থাৎ পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে জোর দিয়ে ব্র্যান্ড বেঙ্গালুরুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেন এস এম কৃষ্ণ। যার জেরে আন্তর্জাতিক স্তরেও বিনিয়োগ এসে পৌঁছয় বেঙ্গালুরুতে।

২০০৪ সালে বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন এস এম কৃষ্ণ। ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বিদেশমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। তবে ২০১২-তে বিদেশমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন এস এম কৃষ্ণ।

রাজ্য রাজনীতিতে ফিরতেই ইস্তফা দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। ২০১৭ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। রাজনীতি ও প্রশাসনে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ২০২৩ সালে পদ্মবিভূষণে সম্মানিত করা হয় এস এম কৃষ্ণকে।

খেলাধুলোতেও অসীম আগ্রহ ছিল এস এম কৃষ্ণের। টেনিসের প্রতি ভালোবাসা ছিল অগাধ। অস্ট্রেলিয়ান টেনিস তারকা ফ্রান্সিস আর্থার সেজম্যানের ভক্ত ছিলেন তিনি। উইম্বলডনেও গিয়েছিলেন এস এম কৃষ্ণ। এছাড়ও ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে আগ্রহ ছিল তাঁর। নিখুঁত নকশা ও স্টাইলের ব্যাপারে বেশ চর্চা রাখতেন এস এম কৃষ্ণ।

কর্ণাটকের ভোক্কালিগা সম্প্রদায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব এস এম কৃষ্ণ। এইচ ডি দেবেগৌড়ার দল জেডিএসের সঙ্গে যাদের চিরশত্রুতা প্রায়শই প্রকাশ্যে আসে। ভোক্কালিগা সম্প্রদায়ের মধ্যে এস এম কৃষ্ণের গুরুত্ব বিচার করেই পদ্মবিভূষণ সম্মান প্রদান করা হয়েছিল বলে মনে করেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগে মঙ্গলবার রাত আড়াইটে থেকে পৌনে তিনটের মধ্যে প্রয়াত হন এস এম কৃষ্ণ। সদাশিবনগরের বাড়িতে শায়িত রাখা হয় তাঁর মৃতদেহ। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। অবশেষে মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুর বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+