সিন্ধিয়ার পদত্যাগ সাহস যোগাচ্ছে কংগ্রেসের একাধিক ক্ষুব্ধ নেতাকে
হোলির দিনে নক্ষত্র পতন ঘটেছে কংগ্রেসে। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার কংগ্রেস ছাড়ার সিন্ধান্তে সাহস পেতে শুরু করেছেন দলের অন্য ক্ষুব্ধ নেতারা।
হোলির দিনে নক্ষত্র পতন ঘটেছে কংগ্রেসে। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার কংগ্রেস ছাড়ার সিন্ধান্তে সাহস পেতে শুরু করেছেন দলের অন্য ক্ষুব্ধ নেতারা। কংগ্রেসের একাধিক রাজ্য ইউনিটের নেতারা ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ। বিশেষ করে দলের নবীন প্রজন্মের নেতারা ভীষণ ভাবে অসন্তুষ্ট একাধিক সিদ্ধান্তে। পরবর্তীকালে সিন্ধিয়ার পথেই এগোতে পারেন তাঁরা।

সিন্ধিয়ার দল বদল
জ্যোতিরাদিত্যর কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত এযাবত কংগ্রেসের বড় ধাক্কা গুলির মধ্যে অন্যতম। একথা স্বীকার করে নিয়েছেন কংগ্রেসের অনেক নেতাই। সেকারণেই কংগ্রেসের অনেকেই মনে করছেন সিন্ধিয়াকে আটকানোর চেষ্টা করা উচিত ছিল গান্ধী পরিবারের। লোকসভা ভোটের পর থেকেই কমলনাথের সঙ্গে সিন্ধিয়ার দ্বন্দ্ব প্রকট হতে শুরু করে। কিন্তু এই দ্বন্দ্ব মেটাতে কোনও রকম উদ্যোগ নেননি সোনিয়া গান্ধীরা।

প্রকট নবীন প্রবীণের লড়াই
মধ্যপ্রদেশ শুধু নয় রাজস্থানেও কংগ্রেসের অন্দরে নবীন প্রবীণের লড়াই প্রকট হয়ে উঠেছে। মধ্যপ্রদেশে যে দ্বন্দ্ব রয়েছে সেটা আগেই স্পষ্ট হয়েছিল কারণ মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে অনেকটা সময় নিয়েছিল হাইকমান্ড। কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী সিন্ধিয়া না কমলনাথ এই নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ছিল দল। সেসময় সভাপতি রাহুল থাকলেও কমলনাথকে মুখ্যমন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত সোনিয়ার ছিল। একইভাবে রাজস্থানেও গেহলটকে মুখ্যমন্ত্রী করার সিদ্ধান্ত সোনিয়ারই ছিল। এতে প্রবাল ভাবে চটেছিলেন কংগ্রেসের নবীন প্রজন্ম।

সিন্ধিয়ার পদত্যাগ পথ দেখাবে বিদ্রোহীদের
সিন্ধিয়ার কংগ্রেস ছাড়ার সিন্ধান্তে বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতারা নতুন দিশা পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ সিন্ধিয়া এবং পাইলটকে মুখ্যমন্ত্রী না করায় দলের নবীন প্রজন্ম ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছিল। সিন্ধিয়ার পদক্ষেপে তাঁদের বিদ্রোহ নতুন করে মাথাচারা দেবে। মনে করা হচ্ছে এরপর আরও অনেক কংগ্রেস নেতা বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications