• search

৬০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের মামলা চাপতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের ঘাড়ে, জানুন কেন

  • By Ritesh Ghosh
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    গোর্খাল্যান্ড ঘিরে তীব্র অশান্তি চলছে উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং সহ উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকার পাঁচটি জেলায় প্রায় একমাস ধরে বনধ পালিত হচ্ছে। যার ফলে পাশের রাজ্য সিকিম বহুদিন ধরেই চরম ক্ষতি বয়ে চলেছে। আর সেজন্যই এবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করতে চলেছে সিকিম সরকার।

    সূত্রের খবর, সিকিম সরকার হিসাব করে দেখেছে, গত ৩২ বছরে বারবার গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এই নিয়ে বিক্ষোভের জেরে সিকিম সরকারের অন্তত ৬০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।

    ৬০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণের বোঝা চাপছে বাংলার ঘাড়ে

    সিকিমে ভারত-চিন সীমান্তে এমনিতেই বেশ কিছুদিন হল উত্তেজনা চলছে। ভারত-ভূটান-চিনের মধ্যবর্তী সীমান্তে চিন জোর করে রাস্তা তৈরি করছে। যা নিয়ে প্রতিবাদে সরব হয়েছে ভারত। সীমান্তে উত্তেজনাও রয়েছে। বারবার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে চিন। আর সেসবের মাঝে অভ্যন্তরে গোর্খাল্যান্ড ঘিরে অশান্তির আঁচও পোহাতে হচ্ছে সিকিম সরকারকে।

    সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিং বৃহস্পতিবার স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সিকিমের মানুষ ভারতের সঙ্গে মিলে যায়নি যাতে চিন আর পশ্চিমবঙ্গের মাঝে পড়ে চ্যাপ্টা না হতে হয়। অথচ সেটাই হয়ে চলেছে দীর্ঘদিন ধরে।

    উত্তরবঙ্গ থেকে দুটি রাস্তা সিকিমে আসে। গোর্খাল্যান্ডের গোলমাল চলায় এই দুটি রাস্তা বন্ধ করে রাখা হচ্ছে। ফলে তার প্রভাব সিকিমে পড়ছে। প্রয়োজনীয় সামগ্রী যেমন পৌঁছচ্ছে না, তেমনই পর্যটকেরাও আসতে পারছেন না। যার ফলে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, একমাসেরও বেশি সময় ধরে গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পাহাড় পুরোপুরি অচল করে রেখেছে বিমল গুরুংয়ের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। পাহাড়ের অশান্তির ফলে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত। মোর্চা-পুলিশ সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। আলাদা রাজ্য না দিলে অনির্দিষ্টকালীন এই ধর্মঘট চলবে বলে জানিয়েছে মোর্চা।

    English summary
    Sikkim to sue West Bengal for 60,000 crores over Gorkhaland agitation

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more