কর্নাটক মন্ত্রিসভা: সিদ্দারামাইয়া রাখলেন প্রধান দফতরগুলি, শিবকুমারের জুটল সেচ
কর্নাটক নির্বাচনে এবার কংগ্রেস বড়ো জয় পেয়েছে। সেই জয়ের অন্যতম কারিগর ডিকে শিবকুমার। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তিনি। তিনিও এবার সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে সমান দাবিদার ছিলেন কর্নাটকের কুর্সির। কিন্তু শেষপর্যন্ত অভিজ্ঞতার জয় হয়েছে। সিদ্দারামাইয়া বসেছেন কুর্সিতে, তাঁর ডেপুটি শিবকুমার।
আশা করা হয়েছিল মন্ত্রিদের দফতর বণ্টনে গুরুত্বপূর্ণ দফতর দেওয়া হতে পারে শিবকুমারকে। কিন্তু আদতে দেখা গেল সিদ্দারামাইয়া নিজের হাতে রাখলেন প্রধান দফতরগুলি। অর্থ থেকে শুরু করে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলি নিজের হাতে রেখে শিবকুমারকে দিলেন সেচ দফতর।

কর্নাটক সরকারে মোট ৩৪ জন মন্ত্রীকে বেছে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং তাঁর ডেপুটি ডি কে শিবকুমার-সহ ৩৪-এর মধ্যে দশজন ২০ মে শপথ গ্রহণ করেছিলেন। এদিন বাকি ২৪ জন শপথ গ্রহণ করেন। কর্নাটকে ক্ষমতা গ্রহণের এক সপ্তাহ পরে শনিবার সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভা তৈরি হল।
এদিন বিধায়ক ও মন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন। কর্নাটক সরকারের বাকি মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের দফতর বণ্টন নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে বলে গুঞ্জন শোনা যায়। চর্চা শুরু হয়ে যায়। মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত প্রধান দফতরগুলি নিজের জন্য রেখে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বুপূর্ণ দফতরগুলি তাঁর ডেপুটি ডি কে শিবকুমারকে দিয়েছেন।

সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া অর্থ, পরিষদীয় দফতর, কর্মী বিভাগ এবং প্রশাসনিক সংস্কার,-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলি নিজের হাতে রেখেছেন। স্বরাষ্ট্র দফতর দেওয়া হয়েছে জি পরমেশ্বরকে। খনি এবং ভূতত্ত্ব, উদ্যানবিদ্যা এসএস মালিকার্জুনকে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।
এইচ কে পাটিল আইন ও সংসদ বিষয়ক দফতর পেয়েছে। দীনেশ গুন্ডু রাও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, কৃষ্ণা বায়রেগৌড়া রাজস্ব দফতর পেয়েছেন। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পুত্র প্রিয়াঙ্ক খাড়গেকে উন্নয়ন ও পঞ্চায়েত দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আর সেচ দফতর দেওয়া হয়েছে্ ডিকে শিবকুমারকে। শিবকুমারকে এই কমন গুরুত্বপূর্ণ দফতর দেওয়ায় অসন্তোষ তৈরি হয়েছে কংগ্রেসের মধ্যেই। কর্নাটকে কংগ্রেসকে জেতানোর অন্যতম কারিগরকে কেন এত তুচ্ছজ্ঞান করা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন উঠে পড়েছে।
শনিবার কর্নাটক মন্ত্রিসভায় দুই ডজন মন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হল। কংগ্রেস নেতৃত্ব মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের মধ্যে মতপার্থক্য মিটমাট করার পরে তাঁরা আলোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। কিন্তু এদিন দফতর বণ্টন নিয়ে সেই অসন্তোষ রয়েই গেল












Click it and Unblock the Notifications