আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে শিবসেনা-বিজেপি ঠাণ্ডা লড়াইয়ের আঁচ এবার কনকাওলিতেও
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে শিবসেনা-বিজেপি ঠাণ্ডা লড়াইয়ের আঁচ এবার কনকাওলিতেও
ভোট যত কাছে আসছে ততই বাড়ছে ফাটল। ইতিমধ্যেই বিজেপির সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে খুশি না হওয়ায় দল ছেড়েছেন প্রায় ২৬ জন শিবসেনা নেতা ও প্রায় ৩০০ জন কর্মী। যা নিয়েই স্বভাবতই চিন্তায় সেনা প্রধান উদ্ভব ঠাকরে। অন্যদিকে অনেক জায়গাতেই বিজেপির বিরুদ্ধে 'বিদ্রোহী' শিবসেনা নেতারা ২১শে অক্টোবরের নির্বাচনে অনেকেই নির্দল প্রার্থী হিসাবে দাঁড়াতে পারে বলে সূত্রের খবর।

পাশাপাশি বিজেপি-শিবসেনার এই ঠাণ্ডা লড়াইয়ে রাজনীতির পারদ ক্রমেই চড়ছে মহারাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কেন্দ্র কনকাওলিতেও। শিবসেনা গড় হিসাবে পরিচিত কনকাওলি কেন্দ্রতে২০১৪ -র ভোটে কংগ্রেসের টিকিটে জিতে আসা নীতিশ রাণেকে প্রার্থী হিসাবে বেছে নিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে নির্দল প্রার্থী সতীশ সাওয়ান্তকে সমর্থন করেছে শিবসেনা। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ মঙ্গলবারই কনকাওলিতে নীতিশ রাণের সমর্থনে একটি জনসভাও করেন।
ইতিমধ্যেই নীতিশ রাণের বাবা নারায়ণ রাণেও কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায় নারায়ণ রাণেই আবার ২০০৫ সালে শিবসেনা ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদিয়েছিলেন। তার পরই তার প্রভাবে কনকাওলিতে কংগ্রেসের আধিপত্য বিস্তার ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। তাই সমস্ত রাজনৈতিক সমীকরণ মাথায় রেখেই এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কনকাওলি বিজেপি ও শিবসেনা দুই পক্ষের কাছেই একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।
অন্যদিকে শিবসেনার ভোটব্যঙ্কে ক্ষয় ধরাতে নারায়ণ রাণে কুদল ও সওয়ন্তাদি কেন্দ্র থেকে দুজন নির্দল প্রার্থীকে দাঁড় করিয়েছেন। যাদের পরোক্ষভাবে সমর্থন দিচ্ছে বিজেপি। মহারাষ্ট্রের মোট ২৮৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি ও তার ছোট শরিক দলগুলি লড়ছে ১৬৪টি আসনে, শিবসেনা লড়ছে ১২৪টি আসনে। অন্যদিকে সূত্রের খবর নির্বাচনী প্রচারের উদ্দেশ্যে বুধবারই কনকাওলি আসতে পারেন সেনা প্রধান উদ্ভব ঠাকরে। কনকাওলি নিয়ে নির্বাচনী সভা থেকে তিনি কি বার্তা দেন সেদিকেই নজর মহারাষ্ট্র তথা দেশবাসীর।












Click it and Unblock the Notifications