• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের

পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনেই দিল্লিতে যমুনার নিমবোধ ঘাটে শেষকৃত্য সম্পন্ন হল দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের। তাঁর তৈরি করে যাওয়া সিএনজি পদ্ধতিতে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন দিল্লির তাবর রাজনীতিকরা। ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী থেকে শুরু করে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল, মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া সহ একাধিক প্রথম সারির রাজনৈতিক নেতা নেত্রীরা।

পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দিক্ষিতের

সকালেই অবশ্য তাঁর বাসভবনে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সুষমা স্বরাজ, এলকে আদবানীরা। গিয়েছিলেন ন্যাসাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লাও। নির্ধারিত সূচি মেনেই মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর কার্যালয়ে। সেখানেও দলের নেতাকর্মীরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানা। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, দিল্লি বিজেপি প্রধান মনোজ তিওয়ারি সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতা নেত্রীরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান শীলা দীক্ষিকে।

১৫ বছর দিল্লি শাসন করেছেন শীলা দীক্ষিত। দিল্লির মানুষের সেবায় নিজেকে উ‌ৎসর্গ করেছিলেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কংগ্রেসের সঙ্গ যুক্ত ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটেও দিল্লিতে বড় দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়ানের সঙ্গে সঙ্গে দিল্লিতে কংগ্রেস শাসনের একটি অধ্যায় শেষ হল।

English summary
Sheila Dikshit was laid to rest Sunday with full state honours at Nigambodh Ghat
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more