• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    শিনা বোরা হত্যা কাণ্ড: খুন হওয়ার সময় ইন্দ্রাণীর 'খুব খুব ঘণিষ্ট' এক ব্যক্তির সন্তান শিনার গর্ভে ছিল!

    নয়াদিল্লি, ২৮ আগস্ট : শিনা বোরা হত্যা কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্যটি উঠে এসেছে। মা ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়ের হাতে খুন হওয়ার সময় কয়েক মাসের গর্ভবতী ছিলেন শিনা বোরা। [নয়া মোড়: বোন নয়, যাকে ইন্দ্রাণী খুন করেছেন বলে অভিযোগ, সে আসলে তার মেয়ে!]

    তদন্তে নেমে জেরা ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিমুহূর্তে পুলিশ এই বিষয়ে আরও একটু করে নিশ্চিত হচ্ছে যে মিডিয়া কিংবদন্তী পিটার মুখার্জীর স্ত্রী যিনি নিজেও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব তিনিই শিনাকে খুন করেছেন। যদিও খুনের পিছনের 'মোটিভ' নিয়ে এখনও ধন্ধে রয়েছে পুলিশ। [সুনন্দা পুষ্কর কাণ্ড: ঘর থেকে কে বা কারা তাঁর জামাকাপড় সরিয়েছিল?]

    শিনা বোরা হত্যা কাণ্ড: খুন হওয়ার সময় ইন্দ্রাণীর 'খুব খুব ঘণিষ্ট' এক ব্যক্তির সন্তান শিনার গর্ভে ছিল!

    খুনের মূল উদ্দেশ্য এখনও প্রতিস্থাপিত করতে না পারা গেলেও বেশ কয়েকটি তত্ব ঘোরাফেরা করছে।

    ১. আর্থিক বা সম্পত্তিজনিত কোনও কারণে ইন্দ্রাণী ও শিনার মধ্যে বিবাদ ছিল তার থেকেই এই খুনের পরিকল্পনা। ২. শিনার সঙ্গে ইন্দ্রাণীর বর্তমান স্বামী পিটার মুখোপাধ্যায়ের আগের পক্ষের ছেলে রাহুল মুখার্জীর একটা প্রণয়ঘটিত সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল, যা ইন্দ্রাণীর পছন্দ ছিল না। রাহুলের থেকে বার বার শিনাকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েও কোনও লাভ হয়নি , তাই হয়তো এই খুন। [সুনন্দা পুষ্কর কাণ্ডে নয়া মোড়: বিষেই মৃত্যু বলছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট]

    তবে খুন হওয়ার সময় শিনা গর্ভবতী ছিল, এই তথ্যটি সামনে আসতেই নতুন এক তত্ত্বের উদ্ভব হয়েছে। তবে কী রাহুলের সন্তানই ছিল শিনার গর্ভে? এই সন্তানকে জন্ম দিলে রাহুল ও শিনার সম্পর্ক প্রকাশ্যে চলে আসবে যা ইন্দ্রাণী চাননি। আর সেই ভয় থেকেই কী এই খুন?

    শিনা বোরা হত্যাকাণ্ড : ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন?

    শিনা বোরা খুনের অন্য সত্যি?

    নাকি এক পিছনে রয়েছে অন্য কোনও সত্যি? শিনার এক বান্ধবী জানিয়েছে, শিনাকে যখন খুন করা হয়েছিল, তখন সে কয়েক মাসের গর্ভবতী ছিল। শিনার গর্ভে যে সন্তান ছিল তার বাবা ইন্দ্রাণীর "খুব খুব ঘণিষ্ঠ" কেউ। ওই ব্যক্তি ইন্দ্রাণী বলে, ব্যবসার জন্য নয়া অংশীদার খুঁজতে তিনি একটা উইকএন্ডে থাইল্যান্ডে যাবেন। আসলে থাইল্যান্ডে ওই ব্যক্তি শিনার সঙ্গে অন্তরঙ্গ মূহূর্ত কাটানোর জন্যই গিয়েছিল বলে এই বান্ধবী জানিয়েছেন।

    এই গোটা বিষয়টি ঘটনাচক্রে জানতে পেরে যায় ইন্দ্রাণী। তখন ইন্দ্রাণী ও পিটারের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকতে শুরু করে শিনা। শিনার বিমানেপ বোর্ডিং পাস দেখে ইন্দ্রাণী বুঝতে পেরে যায় ওই ব্যক্তি এবং শিনা একসঙ্গে থাইল্যান্ডে ছিল। [বিমানেও ঝগড়া করেছিলেন শশী আর সুনন্দা, বললেন মণীশ তিওয়ারি]

    মুখার্জী পরিবারের ঘণিষ্ঠ সূত্রের খবর ওই ব্যক্তি শিনার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে এই ভেবেই এগোয় যে য়ে ইন্দ্রানীর বোন। ইন্দ্রাণী ওই ব্যক্তিকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি স্বীকার করেন তাদের যৌন সম্পর্কের বিষয়ে। সঙ্গে এও জানিয়ে দেন. তিনি ভেবেছিলেন, এতে ইন্দ্রাণীর কোনও সমস্যা হবে না, কারণ অনেক পার্টিতেই তিনি নিজে, ইন্দ্রাণী ও অন্যন্য় অনেকে এই ধরণের জিনিস খুবই হাল্কা ভাবে নেন।

    সম্পত্তি না সম্মান নাকি দুটোই?

    ওই সময়ই শিনা ইন্দ্রাণীকে জানায়, সে গর্ভবতী, এবং তার সন্তানের বাবা ইন্দ্রাণীর জীবনের সেই খুব কাছের মানুষটি। এবং ইন্দ্রাণীকে সে কানে কানে বলে, শুধু সন্তান নয়, অর্থ নিয়েও যাবে। বিদেশের ব্যাঙ্কে শিনার নামে বিশাল পরিমান অর্থ জমা ছিল। সেই টাকার কথাই বলেছিলেন শিনা। [দিল্লির পাঁচতারা হোটেল থেকে রহস্যজনকভাবে মিলল শশী পত্নী সুনন্দার মৃতদেহ]

    এই গোটা ঘটনা সামনে আসার পর তদন্তকারীদের একাংশ মনে করছেন তবে কী ইন্দ্রাণীর জীবনের সেই ঘণিষ্ঠ ব্যক্তি যিনি শিনার সঙ্গে থাইল্যান্ডে ছিলেন তিনি পিটার মুখার্জী? ইন্দ্রাণীর বর্তমান স্বামী? পিটারেরই সন্তানই কী শিনার গর্ভে ছিল? ইন্দ্রাণী ও পিটারের কোনও সন্তান ছিল না। শিনা ও পিটার সন্তান জন্ম নিলে পিটারের সম্পত্তিতে অগ্রাধিকার পেত শিনা, তাছাড়া সম্পর্কের সব মারপ্যাচ প্রকাশ্যে চলে আসত। এই ভয় থেকেই হয়তো সন্তানসম্ভবা শিনা নামের পথের কাঁটাকে সরিয়ে ফেলতে চেয়েছিলেন ইন্দ্রাণী। যদিও এই তত্ত্বটি এখনও প্রমাণিত নয়।

    English summary
    Sheena Bora was pregnant with the baby of a man “very, very close” to Indrani at the time of her murder
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more