• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

রাজধানী শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আগুনের লেলিহান শিখায় শেষ ১৭ প্রাণ

এবার রাজধানী শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। প্লাস্টিক কারখানায় দাউ দাউ আগুনে প্রাণ গেল দশ শ্রমিকের। পুড়ে ছাই দিল্লির বাওয়ানা শিল্পতালুকের প্লাল্টিকের কারখানাটি। দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন পাঁচঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কারখানার ভিতর থেকে দগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভয়াবহ আগুনের লেলিহান শিখা থেকে বের হতে না পেরে মৃত্যু হয়েছে শ্রমিকদের। অনেক শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাতপাতালে ভর্তি।

রাজধানী শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড মৃত্যু বাড়ছে

শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগে। প্রচুর দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ফলে আগুন নেভাতে যেমন সমস্যা হয়, আগুনের তীব্রতাও হু হু করে বাড়তে থাকে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভাতে ব্যবহার করা হয় ফোমও। তবু বাগে আনা যায়নি আগুন।

ভিতরে আটকে থাকা সমস্ত শ্রমিককে সুরক্ষিতভাবে বাইরে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রাণ যায় ১০ শ্রমিকের। এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুরোপুরি নেভেনি। আগুন নেভার পর তল্লাশি করে দেখা সম্ভব হবে, আর কারও দেহ রয়েছে কি না। তবে আগুনের বীভৎসতায় সেই দেহের অস্তিত্ব পাওয়াও মুশকিল।

বেসরকারি মতে ১০ জনের মৃতের খবর মিললেও দিল্লি পুলিশ তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। আগুন নেভানোর কাজ করতে সমস্যা পড়েন দমকলকর্মীরা। আগুনের উৎসস্থল খুঁজে পেতেই বেগ পেতে হয়েছে। তারপর জলের জোগান পেতেও অনেক কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে দমকলকর্মীদের। গোটা এলাকায় কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। প্লাস্টিকের মতো দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন বীভৎসতা বেশি।

শুধু দমকলকর্মীরাই নন, আগুন নেভানোর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয়রাও। তাঁরাও দমকলকর্মীদের সঙ্গে হাত লাগিয়ে আগুন নেভাতে সহায়তা করেন। দমকল সূত্রে জানানো হয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর আমরা খতিয়ে দেখব, কী কারণে এই আগুন লাগল। তবে অনুমান করা হচ্ছে শর্টসার্কিট থেকেই এই আগুন লাগতে পারে।

English summary
Seventeen workers are died in a devastating fire at plastic factory of Delhi.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more