• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

‌রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা তাঁর বিরুদ্ধে, বিচার যেন দ্রুত হয়, দাবি কানহাইয়া কুমারের

শুক্রবারই জেএনইউ–এর প্রাক্তন ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা করার অনুমতি দিয়েছে দিল্লি সরকার। কানহাইয়া কুমার জানিয়েছেন যে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ২০১৬ সালের রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা যেন দ্রুত হয়। চার বছরের পুরনো রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার বিষয়ে কানহাইয়াকে জিজ্ঞাসা করলে বাম নেতা এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হোক তার দাবি জানান, সঙ্গে এও জানান যে গোটা দেশ জানুক কিভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইনকে অপব্যবহার করা হচ্ছে।

রাঁচিতে ক্ষোভ প্রকাশ কানহাইয়া কুমারের

রাঁচিতে ক্ষোভ প্রকাশ কানহাইয়া কুমারের

২০১৯ সালে কানহাইয়া কুমার বেগুসরাই থেকে সিপিআইয়ের পদপ্রার্থী হন। কিন্তু বিজেপির গিরিরাজ সিংয়ের কাছে পরাজিত হন তিনি। প্রাক্তন জেনএনইউ ছাত্রনেতা অভিযোগ করেছেন যে তিনি যখন বিহারের নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে চার্জশিট তৈরি করা হয়। কানহাইয়া কুমার বলেন, ‘‌প্রথমবার চার্জশিট পেশ করা হয় যখন আমি বিহারের নির্বাচনে ছিলাম আর এখন আবার বিহারে নির্বাচন হতে চলেছে। বিহারের এনডিএ সরকার ও রাজ্য সরকার মিলিতভাবে বিধানসভা থেকে এনআরসি ও এনআরপির বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ করেছে।'‌ শুক্রবার রাঁচিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এভাবেই নিজের ক্ষোভ উগরে দেন কানহাইয়া কুমার।

পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মামলা হয়েছে

পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মামলা হয়েছে

কানহাইয়া বলেন, ‘‌এটা খুবই স্পষ্ট যে এই বিষয়টি পূর্ব পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক ফায়দার জন্য এটা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফার্স্ট ট্র‌্যাক কোর্টে আমার মামলা যেন দ্রুত বিচার হয়, যাতে গোটা দেশ জানতে পারে কিভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার আইনের অপব্যবহার করা হয়েছে।'‌ প্রসঙ্গত শুক্রবারই দিল্লি সরকার পুলিশকে কানহাইয়া ও আরও দু'‌জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা করার অনুমতি দিয়েছে।

দেশ–বিরোধী স্লোগান দেন সিপিএম নেতা

দেশ–বিরোধী স্লোগান দেন সিপিএম নেতা

এর আগে বুধবার দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে চিঠি দিয়ে জানায় যে এই মামলায় কুমারকে বিচারের জন্য দ্রুত ছাড়পত্র দেওয়া হোক। এ বছরের জানুয়ারিতে পুলিশের চার্জশিটে উল্লেখ করা হয় যে কানহাইয়া কুমার, উমার খালিদ ও অনির্বাণ ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা ২০১৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি জেএনইউ ক্যাম্পাস চত্ত্বরে সংসদ ভবনে হামলায় অভিযুক্ত আফজল গুরুর মৃত্যুদিনে সভা হয়েছিল। সেই সভায় নেতৃত্ব দেন কানহাইয়া কুমার। সেখানে দেশ-বিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ভিডিও ক্লিপটি প্রথম এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করে। সেই বিতর্কিত ভিডিওতে দেখা যায় যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরেই কানহাইয়া, খালিদ ও অনির্বাণ সহ অন্য পড়ুয়ারাও দেশ-বিরোধী ও পাকিস্তানের সপক্ষে স্লোগান দিচ্ছেন। এই ঘটনায় কানহাইয়া সহ অন্য দু'‌জনকে গ্রেফতার করলেও পরে তাঁদের জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।

দিল্লি পুলিশকে অনুমতি দেওয়া হয়নি

দিল্লি পুলিশকে অনুমতি দেওয়া হয়নি

২০১৯ সালের ১৪ জানুয়ারি পুলিশ কানহাইয়া কুমারের বিরুদ্ধে মামলা করতে চেয়ে আবেদন করে। দীর্ঘদিন সরকার অনুমতি দেয়নি। সম্প্রতি আদালত পুলিশকে বলে, তাড়াতাড়ি অনুমতি দেওয়ার জন্য আপ সরকারকে চিঠি দিন। সেইমতো চিঠি দেয় দিল্লি পুলিশ। তারপরেই দিল্লি সরকার অনুমতি দিয়েছে।

English summary
sedition case aginst Kanhaiya Kumar, granted by the Delhi government, Left leader demanded a speedy trial
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more