• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

২০০১ সালে জঙ্গি হামলার পর আরও আঁটোসাঁটো হয়েছে সংসদ ভবনের নিরাপত্তা

  • |

১৮ বছর আগে আজকের দিনেই ভারতীয় সংসদে হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। যার জেরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। ১৩ই ডিসেম্বর ২০০১ সালে লস্করই তৈবা ও জৈশ-ই-মহম্মদের পাঁচ জন জঙ্গি সংসদ ভবনে সশস্ত্র হামলা চালায়। এই হামলায় আট জন সেনা জওয়ান ও একজন মালি শহীদ হয়েছিলেন। পাশাপাশি পাঁচ জঙ্গিকে খতম করেছিল ভারতীয় সেনা।

প্রশ্নে ওঠে সংসদ ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে

প্রশ্নে ওঠে সংসদ ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে

একইসাথে এই ঘটনার সাথে সাথেই উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের ঘেরাটোপে থাকা সংসদ ভবনে এই হামলার পরই উঠতে শুরু করে একগুচ্ছ প্রশ্ন। নিরাপত্তা রক্ষীদের বজ্র আঁটুনি ভেদ করে কী করে জঙ্গিরা সেখানে প্রবেশ করে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকে। ১৮ বছর পরও ফের ঘুরে ফিরে অনেকক্ষেত্রেই সামনে আসে সেই সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় খামতির কথা।

হামলা চালায় লস্কর-ই-তইবা আর জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গিরা

হামলা চালায় লস্কর-ই-তইবা আর জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গিরা

অন্যদিকে ওইদিন লস্কর-ই-তইবা আর জইশ-ই-মোহম্মদের জঙ্গিরা সম্পূর্ণ ভাবে প্রস্তুত হয়েই সংসদে হামলা চালিয়েছিল বলে জানা যায়। গোটা সংসদ ভবন উড়িয়ে দেওয়ার মতো বিস্ফোরক উদ্ধার হয় জঙ্গিদের কাছ থেকে। সেনার সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য জঙ্গিরা অত্যাধুনিক রণসজ্জায় সজ্জিত ছিল বলেও জানা যায়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী এই জঙ্গি হামলার সঙ্গে আমেরিকায় হওয়া ৯/১১ এর হামলার সাথে তুলনা করেছিলেন।

 আরও আঁটোসাঁটো সংসদ ভবনের নিরাপত্তা

আরও আঁটোসাঁটো সংসদ ভবনের নিরাপত্তা

তারপরই বিভিন্ন সময়ে আরও জোরদার করা হয় সংসদ ভবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বহু-স্তরীয় নিরাপত্তায় বর্তমানে সংসদে দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী বা সিআরপিএফ, ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ, গোয়েন্দা দফতর, দিল্লি পুলিশ, বিশেষ সুরক্ষা বাহিনী, জাতীয় সুরক্ষা বাহিনী এবং সাথে রয়েছে সংসদের নিজস্ব সুরক্ষা পরিকাঠামো।

জারি রয়েছে ২৪ ঘণ্টার সিসিটিভি নজরদারি

জারি রয়েছে ২৪ ঘণ্টার সিসিটিভি নজরদারি

প্রত্যেক সেনা জওয়ানের হাতে রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। বসছে উন্নত প্রযুক্তির বিস্ফোরক সনাক্তকরণ যন্ত্র। সোয়্যাট কমান্ডোদের সঙ্গে দিবারাত্র পরিষেবায় হাজির রয়েছে দিল্লি পুলিশও। সংসদ ভবনের প্রতিটি চত্বরের প্রতি মুহূর্তে চলছে সিসিটিভি নজরদারি।

২০০১ সালে যখন জঙ্গিরা হামলা চালিয়েছিল, তখন সংসদে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদবানী এবং বাজপেয়ী মন্ত্রীসভার তাবড় তাবড় মন্ত্রীরা। পরবর্তীতে এই হামলায় মূল দোষী আফজল গুরুকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়।

'ইতিহাসে প্রথম গান্ধী বংশের কোনও সন্তান বললেন ভারতে ধর্ষণ করো'! সংসদে আগুন ঝরালেন স্মৃতি-লকেটরা

English summary
security of the parliament has been tightened after the terrorist attacks in 2001
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more