সচিন পাইলটের পর আরও এক ‘তারা’ খসল কংগ্রেস থেকে, এক টুইটেই হল সাসপেনশন
দলবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে সঞ্জয় ঝা কংগ্রেস পার্টি থেকে বরখাস্ত হলেন।
দলবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে বরিষ্ঠ নেতা সঞ্জয় ঝাকে কংগ্রেস পার্টি থেকে বরখাস্ত হলেন। রাজস্থানের মুক্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের কারণে রাজস্থানের ডেপুটি সিএম পদে থেকে সরানো হয় শচীন পাইলটকে। সেই সাসপেনশন ঘোষণার অদ্যাবধি পরেই সঞ্জয় ঝা একটি টুইট বার্তা পাঠান। তারপর তাঁকেই দল থেকে বরখাস্ত করা হয়।

সিন্ধিয়া-পাইলট, এরপর কে?
প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় ঝা বলেছিলেন, শচীন পাইলটকে মুখ্যমন্ত্রী করা উচিত। এবং দুর্বল রাজ্যগুলিকে পুনরুদ্ধার করতে অশোক গেহলটকে সিনিয়র সাংগঠনিক ভূমিকা দেওয়াই সঠিক হবে। তারপর তিনি আরও একটি টুইট করেন। সেখানে লেখেন প্রথম জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, তারপর শচীন পাইলট, এরপর কে? তার প্রত্যুত্তরেই সরিয়ে দেওয়া হয় প্রবীণ নেতাকে।

কবে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে, প্রশ্ন ছিলই
অপর এক টুইট বার্তায় ঝা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তাঁকে কবে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। এ মাসের শুরুতে ঝা অল ইন্ডিয়া প্রদেশ কংগ্রেসের মহারাষ্ট্র ইউনিটের সভাপতির পদত্যাগ করেছিলেন। তিনি বলেন, "আমার রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক স্পষ্টবাদ বিরোধিতা করে"।

দুই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অপসারিত হলেন
জুনে তাঁকে কংগ্রেসের মুখপাত্র হিসাবে অপসারণ করা হয়েছিল। তিনি দলের সমালোচনা করে একটি সংবাদপত্র নিবন্ধ লেখার কয়েকদিন পরেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। মহারাষ্ট্র প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির তরফে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। অর্থার একই দিনে দুই প্রদেশ সভাপতি অপসারিত হলেন কংগ্রেস থেকে।

কংগ্রেসের বেদনাদায়ক পরিস্থিতি দেখে হতবাক
নিবন্ধে সঞ্জয় ঝা বলেছিলেন, "কংগ্রেস অসাধারণ অলসতা দেখিয়েছে সমস্ত ক্ষেত্রেই। দলকে বাঁচানোর কোনও চেষ্টা নেই কংগ্রেস নেতৃত্বের। কাউকেই ফেরানোর জন্য। কোনও প্রচেষ্টা করা হয়নি। পার্টি জরুরি ভিত্তিতে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ। পার্টিতে অনেকেই আছেন যারা এসব উপলব্ধি করতে পারেন না। কংগ্রেসের বেদনাদায়ক পরিস্থিতি দেখে হতবাক হয়েই তিনি লিখেছিলেন একথা।












Click it and Unblock the Notifications