হাওয়া বদল সংঙ্ঘে, শীর্ষ পদে রদবদলে জোরাল হচ্ছে নতুন জল্পনা, ভাইয়াজিকে সরিয়ে এলেন দত্তাত্রেয়
হাওয়া বদল সংঙ্ঘে, শীর্ষ পদে রদবদলে জোরাল হচ্ছে নতুন জল্পনা, ভাইয়াজিকে সরিয়ে এলেন দত্তাত্রেয়
আরএসএসে হাওয়া বদল হতে শুরু করে দিয়েছে। তার মূলে শিবসেনার সঙ্গে কোনও পৃথক সমীকরণ কী রয়েছে এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রায় এক যুগ ধরে আরএসএসের সাংগঠনিক শীর্ষ পদে দায়িত্ব সামলেছেন ভাইয়াজি যোশী। শনিবার বেঙ্গালুরুতে ভাইয়াজির জায়গায় দত্তাত্রেয় ভোসবোলেকে বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় ১২ বছর সংঘের সাধারণ সম্পাদকের পদে ছিলেন ভাইয়াজি যোশী। মোহন ভাগবত সংঘপ্রধানের দায়িত্বে আসার পর থেকেই ভাইয়াজি যোশী সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দািয়ত্ব সামলেছিলেন।

আরএসএসের নতুন সাধারণ সম্পাদক
১২ বছর পর ক্ষমতায় থাকার পর অবশেষে সংঘের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে রদবদল হল। ভাইয়াজি যোশীকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় এলেন দত্তাত্রেয় ভোসবোলে। টানা ১২ বছর দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সামলে ছিলেন তিনি। টানা বারো বছর একই পদে থেকে একাধিক সাফল্য এনে দিয়েছেন দলে। সংগঠনকে শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখতেও তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটেও ভাইয়াজির উপরেই ভরসা রেখেছিল সংঘ।

ঐচ্ছিক অবসর না অন্য সমীকরণ
ভাইয়াজি যোশীর এই সরে যাওয়ার মধ্যে অনেকেই অন্য রাজনৈতিক সমীকরণ দেখছেন অনেকেই। কিন্তু সূত্রের খবর ৭৩ বছর বয়সী ভাইয়াজি নাকি ২০১৮ সালেই অবসর নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের কারণে তাঁকে থেকে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।তাঁর ইচ্ছেকে সম্মান জানিয়েই অবসর জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে আরএসএস।

দায়িত্বে দত্তাত্রেয়
আরএসএসের নতু সাধারণ সম্পাদক পদে যিনি নিযুক্ত হয়েছেন তিনি দত্তাত্রেয় ভোসবোলে। কর্নাটকের বাসিন্দা। বয়স ৬৬ বছর। আরএসএস তাঁকে সেকেন্ড ইন কমান্ড পদে বসিয়ে সংঘের সহযোগী দল গুলিকে নতুন বার্তা দিতে চেয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক দলগুলি। শিবসেনার সঙ্গে বিজেপির ফাটল ধরেছে। সম্পর্ক ক্রমশ তিক্ত হয়ে উঠেছে। সেই ফাটল মেরামত করতে আরএসএস বা সংঘের এই নতুন সাধারণ সম্পাদক কতটা সফল হবেন সেটাই এখন দেখার।

প্রসার বাড়ানোই লক্ষ্য
সামনেই ৫রাজ্যের বিধানসভা ভোট। পাঁচ রাজ্যের মধ্যে তিন রাজ্যকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে বিজেপি। কারণ অসম, পণ্ডিচেরী আগেই বিজেপি দললে এনে ফেলেছে। অসম আগে থেকেই বিজেপির দখলে ছিল। এবার পণ্ডিচেরীও যে গেরুয়া শিবিরের দখলে আসবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এবার নজর পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু এবং কেরল। কেরলে তেমন পা জমাতে না পারলেও বাংলা আর তামিলনাড়ুকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির।












Click it and Unblock the Notifications