• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

'আরএসএস-র অধ্যাপকরা' জেএনইউ ক্যাম্পাসে হিংসা ছড়িয়েছেন! ঐশীর দাবিতে চাঞ্চল্য

জেএনইউ চত্বরে বেশ কয়েকদিন ধরেই বাম ছাত্র সংগঠন ও গেরুয়া শিবিরের ছাত্র সংগঠনের মধ্যে চাপানোতর চলছিলই। আর সেই তোপ পাল্টা তোপের মাত্রা বাড়তে বাড়তে তা হিংসা, রক্তপাতে গড়িয়ে যায়। যে ঘটনার সাক্ষী থাকে রবিবারের দিল্লি। এই ঘটনার পরদিনই মুখ ঢাকা আততায়ীদের হাত নিগৃহিতা বাম নেত্রী তথা জেএনইউএসইউ প্রেসিডেন্ট ঐশী ঘোষ ক্ষোভ উগড়ে দেন আরএসএস ও এবিভিপির বিরুদ্ধে।

রবিবার দুপুরেই পুলিশকে মেসেজ ঐশীর .. তারপর?

রবিবার দুপুরেই পুলিশকে মেসেজ ঐশীর .. তারপর?

ক্রমেই এবিভিপি ও জেএনইউএসইউ-র মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে উত্তেজনার মাত্রা চড়ছিল। তখনই জেএনইউএসইউ-র প্রেসিডেন্ট ঐশী ঘোষ দিল্লি পুলিশের কাছে পরিস্থিতি নিয়ে মেসেজ করেন। কিন্তু তাতে লাভের লাভ হয়নি। সন্ধ্যায় রক্তাক্ত অবস্থায় ঐশীকে ভর্তি হতে হয় হাসপাতালে। তবে সেখান খেকে ফিরতেই বাঙালি এই নেত্রী ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন আরএসএস-র বিরুদ্ধে।

'আরএসএস-র অধ্যাপক'দের দিকে তোপ!

বাম নেত্রী ঐশী ঘোষ বলেন, 'গতকালের হামলা এপিভিপি ও আরএসএসের গুন্ডারা করেছে। গত ৪-৫ দিন ধরে ক্যাম্পাসে হিংসা তৈরি করেছেন আরএসএস-এর কয়েকজন অধ্যাপক আর এবিভিপি। ' তাঁর বক্তব্য , জেএনইউ নিরাপত্তাকর্মী ও ' গুন্ডা' দের মধ্যে আঁত ছিল। আর তা থেকেই সুপরিকল্পিতভাবে খুন করার চেষ্টা করা হয়েছে রবিবার রাতে।

 ঐশীর বাড়ির পরিস্থিতি

ঐশীর বাড়ির পরিস্থিতি

এদিকে, দিল্লির রাজনৈতিক অলিন্দ যখন ঘরের মেয়েকে ঘিরে দোলাচলে, তখন আসানসোলে ঐশীর ঠাকুমা বলছেন, নাতনিকে তিনি কিছুতেই আন্দোলেনের রাস্তা থেকে সরে আসতে বলবেন না। কারণ তিনি জানেন, নাতনি কতটা দৃঢ় নিজের অবস্থানে। অন্যদিকে, ঐশীর বাবা বলছেন, 'আজ আমার মেয়ের হয়েছে, কাল অন্য কারোর হতে পারে..। ' তাঁর আশঙ্কা আগামী দিনে তাঁর ওপরেই হামলা না হয়ে যায়!

জে এন ইউ এর ঘটনা বর্বরোচিত বললেন শুভেন্দু অধিকারী

ইরান-আমেরিকা দ্বন্দ্ব কেন ভারতীয় অর্থনীতির জন্যে অশনি সংকেত?

English summary
RSS affiliated professors promoted Violence in JNU campus for last 4-5 days, says Aishe Ghosh .
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more