• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

অযোধ্যা মামলার সুপ্রিম রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন দাখিল জমিয়ত উলেমায়ে হিন্দের

অযোধ্যা মামলায় সুপ্রিম রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন জমা দিল জমিয়ত উলেমায় হিন্দ। আজ এই প্রথম অযোধ্যা মামলা সংক্রান্ত সুপ্রিম রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন জমা পড়ল শীর্ষ আদালতে। আজ জমিয়ত প্রধান মৌলানা আর্শাদ মাদানি দাবি করেন দেশের অধিকাংশ মুসলিমই সুপ্রিমকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে মত পোষণ করে। তিনি বলেন, 'আদালত আমাদেরকে অধিকার দিয়েছে তাই আমরা এই বিষয়ে রিভিউ পিটিশন জমা দিলাম।'

'ওই রায় আমাদের বোধগম্য হয়নি'

'ওই রায় আমাদের বোধগম্য হয়নি'

তিনি বলেন, 'এই মামলার মূল ভিত্তি ছিল যে মন্দির ভেঙে মসজিদটি তৈরি করা হয়েছিল। এদিকে আদালত বলে যে এর কোনও প্রমাণ নেই যে মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়েছিল। তাহলে তো মুসলিম পক্ষের দাবিটাই সত্যি। কিন্তু রায়দান হল পুরো উল্টো। তাই আমরা সেই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে রিভিউ পিটিশন দাখিল করছি। কারণ শীর্ষ আদালতের ওই রায় আমাদের বোধগম্য হয়নি।'

৯ নভেম্বর রায় হিন্দুদের পক্ষে রায় দিয়েছিল আদালত

৯ নভেম্বর রায় হিন্দুদের পক্ষে রায় দিয়েছিল আদালত

৯ নভেম্বর বহু প্রতিক্ষিত অযোধ্যা জমি বিতর্কের রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিমকোর্টের এই ঐতিহাসিক রায়ে বিবাদের মূলে থাকা ২.৭৭ একর জমিটি হিন্দুদের দেওয়ার কথা বলা হয়। এবং তা তৈরির জন্য তিনমাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে ট্রাস্ট গঠন করতে হবে বলেও জানিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি শীর্ষ আদালত জানায়, ১৯৯২ সালে মসজিদ ভাঙা বেআইনি ছিল। এছাড়া মুসলিমপক্ষকে অযোধ্যাতেই পাঁচ একর জমি দিতে বলে শীর্ষ আদালত।

প্রমাণের ভিত্তিতে রায়দান

প্রমাণের ভিত্তিতে রায়দান

প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জ গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চের এই রায়তে বলা হয়, জমির উপর মালিকানার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিমদের দেওয়া প্রমাণের চেয়ে আরও ভালো প্রমাণ দিয়েছিল হিন্দু পক্ষ। জমির মালিকানা কখনও বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে দেওয়া যায় না। মালিকানা স্থির করতে দরকার প্রমাণ। তাই বিতর্কিত জমি মন্দিরের জন্য হস্তান্তর করা হচ্ছে।

ধর্মনিরপেক্ষতার উল্লেখ করে রায়

ধর্মনিরপেক্ষতার উল্লেখ করে রায়

এই মামলার রায়তে মোট ২৪ বার উল্লেখ করা আছে ধর্ম নিরপেক্ষতা শব্দটি। এবং ধর্ম নিরপেক্ষতা বজায় রাখা কতটা জরুরি তাও উল্লেখ রয়েছে রায়তে। রায়ের একটি অংশে লেখা, "সংবিধানে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়কে সমান চোখে দেখার কথা বলা হয়েছে। সহমর্মিতা ও সমধর্মিতার মাধ্যমে দেশের ধর্ম নিরপেক্ষতাকে রক্ষা করতে হবে আমাদের। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বরে সমজিদটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়। যদি এক্ষেত্রে মুসলিমদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, তবে ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের পক্ষে তা অনুচিত হবে।"

রিভিউ-এর পথে হাঁটবে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডও

রিভিউ-এর পথে হাঁটবে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডও

অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক মৌলানা ওয়ালি রহমানি জানিয়েছেন, মুসলিমরা বিচার বিভাগকে বিশ্বাস করেন। কিন্তু সেই বিশ্বাস সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরেই দুর্বল হয়ে গিয়েছে। তিনি আরও দাবি করেছেন, দেশের ৯৯ শতাংশ মুসলিম চান অযোধ্যার রায় নিয়ে রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হোক। যদি মনে করা হয়ে থাকে, মুসলিমদের একটা বড় অংশ এর বিরুদ্ধে, তা ভাবাটা ভুল। আইনগত অধিকারেই রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হবে। অযোধ্যা নিয়ে আদেশে বহু বিতর্কিত বিষয় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

রায় নিয়ে বিরোধ শিয়া-সুন্নি বোর্ডের

রায় নিয়ে বিরোধ শিয়া-সুন্নি বোর্ডের

এদিকে রায় নিয়ে বিরোধ বেধেছে উত্তর প্রদেশের শিয়া বোর্ডের সঙ্গে সুন্নি বোর্ডের। শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড বলেছে, যদি সুন্নি বোর্ড জমি নিতে অস্বীকার করে তবে তারা সরকারকে বলবে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো মসজিদ তৈরি করতে তাদের হাতে ৫ একর জমি দেওয়া হোক। তারা সেই জমি হাসপাতাল তৈরি করতে ব্যবহার করবে, মসজিদ তারা তৈরি করবেন না।

English summary
review petition filed against supreme court verdict in ayodhya case
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X