• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

বিধানসভা এখন 'দূরে'! বরখাস্ত বিধায়কদের ভরসা সুপ্রিমকোর্ট

কর্নাটকের বহিষ্কৃত হওয়া বিধায়করা স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থা হচ্ছেন। সোমবার তাঁরা সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন জানাবেন বলে জানা গিয়েছে। বহিষ্কৃত জেডিএস বিধায়ক এএইচ বিশ্বনাথ রবিবার বলেছেন, স্পিকারের এই সিদ্ধান্ত আইনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার বরখাস্ত হওয়ায় তিন বিধায়কও একই পথ ধরবেন বলে জানা গিয়েছে।

বিধানসভা এখন দূরে! বরখাস্ত বিধায়কদের ভরসা সুপ্রিমকোর্ট

কর্নাটক বিধানসভার স্পিকার কেআর রমেশ বৃহস্পতিবার দুজন কংগ্রেস এবং একজন নির্দল বিধায়ককে বহিষ্কার করেছিলেন। তিনি রবিবার আরও ১৪ বিধায়ককে বহিষ্কার করেন। যাঁদের মধ্যে বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়কের সংখ্যা ১১ এবং জেডিএস-এর তিনজন। দলবদল বিরোধী আইনে এঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে। যার অর্থ বর্তমান বিধানসভা ভঙ্গ না হওয়া পর্যন্ত বিদ্রোহীরা আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।

কর্নাটকের বহিষ্কৃত বিধায়ক এএইচ বিশ্বনাথের দাবি, এই বহিষ্কার আইনের বিরোধী। তাঁদের ওপর হুইপ জারি করা হয়েছিল। কিন্তু কোনও বিধায়ককে বিধানসভায় আসতে বাধ্য করা যায় না। বলেছেন তিনি।

স্পিকার এখনও পর্যন্ত ১৭ জন বিধায়ককে বহিষ্কার করেছেন। বিধায়কদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা বিধানসভায় হাজির হননি। স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাঁরা সোমবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন। জানিয়েছেন বহিষ্কৃত বিধায়করা। এঁদের অনেকেই এখনও রয়েছেন গোপন আস্তানায়।

[আরও পড়ুন: রাত পোহালেই কর্নাটকে আস্থা ভোট! স্পিকারের 'বহিষ্কার' সিদ্ধান্তে অ্যাডভান্টেজ বিজেপির]

English summary
Rebel JD(S) MLA A H Vishwanath, who was disqualified by the Karnataka Speaker on Sunday, said the decision was “against the law” and he and other aggrieved legislators would approach the Supreme Court for redressal on Monday.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more