• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে থমথমে পাঞ্জাব, ২৪ ঘণ্টার বনধ, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি

মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল পাঞ্জাবে। ৫০০ বছরের প্রাচীণ গুরু রবিদাস মন্দির ও সমাধিস্থল ভাঙার প্রতিবাদ তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা রাজ্যে। দিল্লির তুঘলকাবাদের এই মন্দির এবং জলন্ধরের সমাধিস্থল ভাঙার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে ২৪ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে পাঞ্জাবের রবিদাসিকা সম্প্রদায়। পরিস্থিত উদ্বেগজনক বিবেচনা করে রাজ্যের সব স্কুল, কলেজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। বন্ধ রাখা হয়েছে সরকারি দফতরও।

মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে থমথমে পাঞ্জাব, ২৪ ঘণ্টার বনধ

এই মন্দির এবং সামাধিস্থল ভাঙার ঘটনা নিয়ে পাঞ্জাবের শিরোমণি আকালি দলের সভাপতি সুখবির সিং বাদল দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বাইজালের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। শিখ গুরুর এই অপমান কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিরোমণি আকালি দল।

অন্যদিকে জলন্ধরের পরিস্থিতিও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। সেখানেও সব স্কুল, কলেজ, সরকারি দফতর বন্ধ রয়েছে।

দিল্লির আপ সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বড় আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন শিরোমণি আকালি দলের নেতারা। এমনকী পুরো ঘটনাটি নিয়ে আপ সরকারের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে তাঁরা অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন। পুরো মন্দিরটি পুনর্নির্মানের খরচ পার্টি দেবে বলে জানিয়েছন তাঁরা।

এদিকে এই পরিস্থিতিতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। পুরো ঘটনার শান্তিপূর্ণ সমাধান করার জন্য কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়নমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। পাঞ্জাবের বিভিন্ন ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

English summary
Ravidasia community in Punjab has called for a state-wide bandh
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more