Rajya Sabha: ৩৫ মিনিটেই সাসপেনশন প্রত্যাহার ডেরেক ও’ব্রায়েনের, নাটকের পর নাটক রাজ্যসভায়
তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েনকে রাজ্যসভার বর্ষাকালীন অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড করেছিলেন উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়। কিন্তু সাসপেন্ড করার ৩৫ মিনিটের মধ্যে নাটকীয় কায়দায় সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিলেন উপরাষ্ট্রপতি।
তিনি জানান, ডেরেক ও'ব্রায়েনকে সাসপেনশনের নির্দেশ যেন রেকর্ড করা না হয়। অর্থাৎ তাঁর সাসপেনশন বলবৎ থাকছে না। তিনি সেশন চালিয়ে যেতে পারবেন। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েনকে নিয়ে নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয় বারবার।

ডেরেক ও'ব্রায়েন রাজ্যসভার অধিবেশন চলাকালীন বিতর্কে অংশ নিয়ে চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে উচ্চৈস্বরে বাক-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তখন তাঁকে সাসপেন্ড করেন উপরাষ্ট্রপতি। তবে এক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে ফের দেখা যায় সেশনে অংশ নিতে। জগদীপ ধনখড় তাঁর সাসপেনশন মকবু করে দেন।
রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় জানান, তিনি সচেতনভাবেই সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েনের সাসপেনশন প্রত্যাহার করেছেন। সাসপেনশনের প্রস্তাব তিনি ফিরিয়ে নিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি তিনি স্থগিতাদেশ প্রস্তাব ফিরিয়ে না নিতেন, তাহলে তৃণমূল সাংসদ এদিন আর রাজ্যসভায় ফিরে আসতে পারতেন না।
আগের দিন রাজ্যসভার কার্যক্রম চলাকালীন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন নিয়মের বিষয়ে কথা বলতে চান। চেয়ারম্যান তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন তিনি কোনও নিয়মের বিষয়ে কথা বলতে চান। তৃণমূল সাংসদ বলেন, যে নিয়মের অধীনে বিরোধীরা ২০ জুলাই বর্ষা অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকে মণিপুর ইস্যুতে আলোচনা করতে চাইছে।

রাজ্যসভার নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গোয়েল তখন বর্ষা অধিবেশনের বাকি অংশের জন্য তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েনকে সাসপেনশন করার জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তারপরই রাজ্যসভার চেয়ারম্যান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় ডেরেক ও'ব্রায়েনকে ১১ অগাস্ট বর্ষা অধিবেশনের শেষ পর্যন্ত সাসপেন্ড করেন।
তিনি তৃণমূল সাংসদকে বলেছিলেন তৎক্ষণাৎ হাউস ছেড়ে চলে যেতে। ১১টা ২৫ মিনিটে সেই নির্দেশ দেন তিনি। তারপর তিনি দুপুর পর্যন্ত সভা মুলতবি করে দেন। তারপর পুনরায় যখন অধিবেশন শুরু হয় তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েন।
কংগ্রেস সাসংদ প্রমোদ তিওয়ারি তৃণমূল নেতার বরখাস্তের বিষয়টি উত্থাপন করতে চেয়েছিলেন। তবে ১২টা ৫ মিনিট নাগাদ রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানান, তৃণমূল সাংসদের সাসপেনশন প্রক্রিয়া ফলপ্রসূ করা হয়নি। তাহলে তিনি হাউসে আসতে পারতেন না। অধিবেশনের গুরুত্ব বুঝেই তা ফলপ্রসূ করিনি। তবে তিনি তৃণমূল সাংসদকে সতর্ক করে দেন।












Click it and Unblock the Notifications