মোদী সরকার কি চিনের সমর্থনে? আমেরিকায় বসে লাদাখ ইস্যুতে নয়া টুইট বিস্ফোরণ রাহুল গান্ধীর
রাহুল গান্ধী হয়ত বা দেশে নেই তাঁর মায়ের চিকিৎসার খাতিরে। তবে তিনি যে আমেরিকাতে বসেও সংসদের কার্যকলাপের উপর তীক্ষ্ণ নজর বজায় রেখেছেন তার প্রমাণ মিলেছে আগেই। পরিযায়ী শ্রমিক নিয়ে রাহুল গতকালই তোপ দেগেছিলেন মোদী সরকারকে। আর এদিন তিনি লাদাখ নিয়ে সরাসরি মোদীকে আক্রমণ শানান। প্রধানমন্ত্রীর দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে রাহুল টুইট করেন, 'মোদী কী ভারতের পক্ষে নাকি চিনের পক্ষে?'

রাজনাথ সিং কী বলেন সংসদে?
প্রসঙ্গত, গতকাল সংসদে রাজনাথ সিং জানিয়েছিলেন, গত ৬ মাসে ভারতে কোনও ভাবেই অনুপ্রবেশ করতে পারেনি চিন। আজ একই কথা কেন্দ্রের তরফে রাজ্যসভার সদস্যদের জানানো হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতেই রাহুল গান্ধীর এই নয়া আক্রমণ। এদিন রাহুল টুইট করেন, 'আপনারা ক্রোনোলজি বোঝার চেষ্টা করুন।।'

রাহুল গান্ধীর টুইটের নিশানায় মোদী
এদিন রাহুল গান্ধী কেন্দ্রের একাধিক মন্তব্যকে উধৃত করে টুইটে লেখেন, 'আপনারা ক্রোনোলজি বোঝার চেষ্টা করুন। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বললেন, দেশে কোনও অনুপ্রবেশ হয়নি। এরপর চিনের এক ব্যাঙ্ক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থের ঋণ নেওয়া হল। এরপর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বললেন যে চিন আমাদের এলাতা দখল করে রেখেছে। এরপর ফের কেন্দ্র বলল যে কোনও দখলদারি হয়নি। এই মোদী সরকার কী আদৌ ভারতের সঙ্গে নাকি এরা চিনের সঙ্গে?'

ভারত-চিন সীমান্ত ইস্যুতে বিরোধীদের দমিয়ে রাখা হচ্ছে
ভারত-চিন সীমান্তের পরিস্থতি নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্নকে ইচ্ছাকৃতভাবে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। গতকাল সংসদের বাদল অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে এভাবেই কেন্দ্রকে আক্রমণ করলেন রাহুল গান্ধী। পাশাপাশি, সংসদে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত না থাকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

চিনা অনুপ্রবেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশকে ভুল বার্তা দিচ্ছেন
গতকাল রাহুল টুইট করে লিখেছিলেন, 'প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে চিনা অনুপ্রবেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশকে ভুল বার্তা দিচ্ছেন। আমাদের দেশ সবসময় সেনার পাশে রয়েছে, আগামী দিনেও থাকবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী, আপনি কখন চিনের বিরুদ্ধে কথা বলবেন? কখন আপনি আমাদের মাটিকে চিনের দখলমুক্ত করবেন?'

লাদাখ ইস্যুতে উত্তাল সংসদ
প্রসঙ্গত, সীমান্তে কী চলছে, তা স্পষ্টভাবে সংসদে জানানোর জন্য বারবার চাপ দেওয়া হচ্ছিল কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দলগুলির তরফে। তবে সরকারের থেকে পরিস্থিতির সংবেদনশীলতা বিচার করে এ-বিষয়ে আলোচনা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর এর পরই গতকাল প্রতিবাদে লোকসভা থেকে ওয়াক আউট করেন কংগ্রেসের সাংসদরা। এদিকে এই পরিস্থিতি এদিন সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications