'রাবড়ি দেবী আমার চুলের মুঠি ধরে বের করে দেন', লালুর পুত্রবধূ ফাটালেন বোমা
লালু প্রসাদ যাদবের বড় ছেলে তেজপ্রতাপের বিয়ে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে একাধিক চাঞ্চল্যকর খবর শোনা গিয়েছে। কখনও পুত্রবধূ ঐশ্বর্য দাবী করেছেন যে স্বামী তেজ বাড়ি ছেড়ে চলে যেতেন বৃন্দাবনে। কখনও তিনি বলেছেন তেজ মাঝে সাধেই ঘাঘরা পরে বাড়িতে সেজে থাকতেন, আর বলতেন তিনি নিজে 'রাধা'! আর এবার লালুর পরিবারের ওপর আরও বড়সড় অভিযোগ আনলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দারোগা প্রসাদ রাইয়ের নাতনি তথা লালুর পুত্রবধু ঐশ্বর্য।

দুই রাজনৈতিক পরিবারের মধ্যে বিয়ে
উচ্চশিক্ষিতা ঐশ্বর্য রাই বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দারোগা প্রসাদ রাইয়ের নাতনি। তাঁর সঙ্গে বিহারের আরও এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের বড় ছেলে তেজের বিয়ে সম্পন্ন হয় গত বছর। এরপর থেকে তাঁদের দাম্পত্য জীবন ঘিরে খুব একটা ভালো খবর আসেনি। শেষ বহু বিতর্কিত কাণ্ডের পর বিবাহ বিচ্ছেদের পথে যান ঐশ্বর্য ও তেজ।

পাটনার ১০ সার্কুলার রোডের বাড়ির অন্দরে কী ঘটত?
আরজেডি প্রধান লালুর ছেলে তেজের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল দলেরই আরও এক নেতা ও বিহারের আরও এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মেয়ে ঐশ্বর্যর। কিন্তু তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।লালুর পরিবারে ঐশ্বর্যের ওপর অত্যাচার চালানো হত বলে জানান ঐশ্বর্য। তিনি বলেন রাবড়ি দেবী নিজে তাঁকে চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে নিয়ে যান। থাপ্পড় মারেন। আর শেষে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

সেই রাতের কথা ...ঐশ্বর্য কী জানিয়েছেন?
যেদিন এমন অত্যাচার হয়, সেই দিনের ঘটনা বিবরণ দিয়ে ঐশ্বর্য বলেন, 'আমি ঘরে বসে টিভি দেখছিলাম। আর সেই সময় একটা মেসেজ পাই যে পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তেজের সমর্থকরা আমার আর আমার বাবা মায়ের নামে নোংরা কথা লিখে পোস্টার সাঁটছে। এরপর আমি নিচে নেমে আমার শাশুড়ির কাছে জানতে চাই কেন এমনভাবে আমার পরিবারের নামে অপমানসূচক জিনিস লেখা হচ্ছে।আমার মা বাবাকে কেন এরমধ্যে আনা হচ্ছে। '

এরপর যা ঘটে..
ঐশ্বর্য জানিয়েছেন , এরপরই প্রবল ক্ষুব্ধ হন রাবড়ি দেবী। শুরু হয় প্রবল বচসা। এরপরই রাবড়ি দেবী তাঁকে মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ ঐশ্বর্যের। তিনি বলেন, রাবড়ি দেবীর সঙ্গে 'মহিলা নিরাপত্তাকর্মীরাও আমাকে মারধর করেন। আমাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। আমার মাথায় মারধর করা হয়। হাঁটুতে , পায়ে মারা হয়। এরপর আমার চুলের মুঠি ধরে বাংলোর বাইরে বার করে দেওয়া হয়।' ঐশ্বর্য জানান, এমনকি তাঁকে জুতো বা শালও গায়ে জড়াতে দেওয়া হয়নি।

গোটা ঘটনার ভিডিও উধাও?
ঐশ্বর্য জানান, কথাকাটাকাটি যখন তুঙ্গে ওঠে, তখন তিনি ঘটনার ভিডিও করছিলেন। আর সেই সময় তাঁর হাত থেকে ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। ঐশ্বর্যের আশঙ্কা সেই ফোন থেকে ভিডিওটি মুছে ফেলা হয়েছে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টায়।












Click it and Unblock the Notifications