• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

‌পাঞ্জাব সীমান্তে এসটিএফ উদ্ধার করল ১ হাজার কোটি টাকার মাদক

বৃহস্পতিবার পাঞ্জাবের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (‌এসটিএফ)‌ ১৮৮ কেজি হেরোইন বাজেয়াপ্ত করল। আন্তর্জাতিক বাজারে যার আনুমানিক মূল্য এক হাজার কোটি টাকা। এটি আফগানিস্তানের মাধ্যমে পাকিস্তান হয়ে ভারতে পাচার হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে এসটিএফ ও সীমান্তবর্তী পুলিশ বিপুল পরিমাণে মাদক উদ্ধারে সফলতা লাভ করে।

‌পাঞ্জাব সীমান্তে এসটিএফ উদ্ধার করল ১ হাজার কোটি টাকার মাদক

২৯ জানুয়ারি দু’‌জনকে এনডিপিএস ও অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার করে মোহালির এসটিএফ। তাদের কাছ থেকে ৬ কেজি হেরোইন উদ্ধার হয়। সূত্রের খবর, ওই অভিযুক্তদের জেরা করে এসটিএফ এই তথ্যটি পায়। বৃহস্পতিবার এসটিএফ ১৮৮ কেজি হেরোইন, ৩৮ কেজি ডেক্সট্রোমেথ্রোপান, ২৫ কেজি ক্যাফাইন পাউডার যা হেরোইনের সঙ্গে মেশানোর জন্য ব্যবহার হয়, ৬ ড্রাম ভর্তি কেমিক্যাল কম্পোজিশন যার ওজন ২০৭ কেজি উদ্ধার করা হয়। এইগুলি সব উদ্ধার হয় অমৃতসরের সুলতানওয়াইন্ড এলাকা থেকে। জেলা শাসকের উপস্থিতিতে এই উদ্ধার কাজ করা হয়। সরকারিভাবে জানা গিয়েছে যে, এই দুই মামলাতেই এসটিএফ ছ’‌জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ছ’‌জনের মধ্যে এক আফগান নাগরিকও রয়েছে। যে বাড়ি থেকে এই সব জিনিস উদ্ধার হয় সেখানেই মাদক তৈরি হয়। আফগানিস্তানের ওই নাগরিক কিছুদিন আগেই ভারতে আসে এবং তার কাজই হল উচ্চমানের হেরোইনকে লঘু করা যাতে তা বেশি পরিমাণে সে তার দেশে নিয়ে যেতে পারে।

আইজিপি এসটিএফ কৌস্তভ শর্মা বলেন, '‌এই হেরইন পাচারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগ রয়েছে। ধৃতদের জেরা করে জানা হবে যে মাদক পাচারের জন্য তারা কোন রুটটি ব্যবহার করত।’‌ সূত্রের খবর, এই মাদকগুলি আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানে যায় এবং তারপর ভারত–পাক সীমান্ত হয়ে ভারতে প্রবেশ করে। এক কিলোগ্রাম পাচার হওয়া মাদকের আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ৫ কোটি টাকা। যদিও আফগানিস্তানে মাদকের মূল্য অনেকটাই কম। তবে পাকিস্তানে প্রবেশ করতেই এর দাম বেড়ে হয় দেড় লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা এবং ভারতে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে তা ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা হয়ে যায়।

English summary
Punjab STF recovers 188 kg heroin worth Rs 1000 crore
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more