• search

শিশুধর্ষণ রুখতে কেন্দ্রের পদক্ষেপে সম্মতি জানিয়ে শিলমোহর রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দের

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ১২ বছরের কমবয়সীদের ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড করার সংশোধনী গতকালই এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এদিন সেই সংশোধনীতে শিলমোহর দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ফলে রবিবার থেকেই লাগু হয়ে গেল ধর্ষণ নিয়ে এই নয়া আইন। উল্লেখ্য , দেশে নাবালিকা ধর্ষণ তথা বেড়ে চলা শিশু ও বালিকা ধর্ষণের ঘটনা ঘিরে এই নয়া আইন সংশোধনের পথে হাঁটে কেন্দ্র।

    শিশুধর্ষণ রুখতে কেন্দ্রের পদক্ষেপে শিলমোহর রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দের

    [আরও পড়ুন:ধর্ষণের প্রতিবাদে গর্জে উঠলেন ৬০০ জন শিক্ষাবিদ, প্রধানমন্ত্রীকে কড়া বার্তা দিয়ে চিঠি]

    শনিবার সংসদ বন্ধ ছিল। সেদিনই শিশু ধর্ষণের সাজা হিসাবে মৃত্যুদণ্ডকে সায় দিয়ে অধ্যাদেশ পাশ করে কেন্দ্রের মোদী সরকার। সংসদ বন্ধ থাকা অবস্থাতেই, ভারতীয় দণ্ডবিধি, ফৌজদারি কার্যবিধি, সাক্ষ্যপ্রমাণ আইন এবং শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইন ২০১২ (পকসো) পরিবর্তনের জন্য অধ্যাদেশ আনার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। দেশ জুড়ে একের পর শিশু ধর্ষণ ও বালিকা ধর্ষণ এবং খুনে ঘটনায় প্রবল সমালোচনার মুকে পড়ে যায় কেন্দ্রীয় সরকার। তারপরই নড়ে চড়ে বসে কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যান মন্ত্রক।শনিবার অধ্যাদেশ পাশ হয় নয়া আইনের। আর রবিবার সেই সংশোধনী লাগুর বিষয়ে সম্মতি জানিয়ে স্বাক্ষর করেন রাষ্চ্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ।

    নয়া সংশোধনীতে কেন্দ্র জানিয়েছে,১৬ বছরের কম বয়সী মেয়েদের ধর্ষণে অপরাধীদের ন্যূনতম সাজা বাড়িয়ে ২০ বছর করে দেওয়া হল। যা আগে ছিল ১০ বছর। শুধু তাই নয়, এই ২০ বছর বেড়ে গিয়ে যাবজ্জীবন সাজাও হতে পারে মামলা বিশেষে। ১২ বছরের কমবয়সী মেয়েদের ধর্ষণে ন্যূনতম সাজার মেয়াদ বাড়িয়ে করা হয়েছে ২০ বছর। আর সর্বোচ্চ সাজা অবশ্যই মৃত্যুদণ্ড। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এই ধরনের ধর্ষণের মামলায় যাতে দ্রুত তদন্ত হয় ও মামলার ট্রায়াল চলে সেজন্য নানা নিয়মবিধি আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    English summary
    President Ram Nath Kovind signs ordinance to give death penalty to child rapists

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more