রাফালে উড়ে ইতিহাস গড়লেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু
ভারতের রাষ্ট্রপতি তথা সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক দ্রৌপদী মুর্মু নতুন এক ইতিহাস তৈরী করলেন। বুধবার তিনি প্রথমবারের মতো হরিয়ানার অম্বালা বিমানঘাঁটি থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমান রাফালে চড়ে আকাশে উড়ান দেন। ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মহিলা রাষ্ট্রপতি রাফালে উড়লেন।
উড়ানের আগে রাষ্ট্রপতিকে সামরিক মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। তারপর বিশেষ নিরাপত্তায় তাঁকে যুদ্ধবিমানে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রোটোকল অনুযায়ী, প্রতিটি ধাপের জন্যই ছিল কঠোর প্রস্তুতি ও নজরদারি।

রাষ্ট্রপতির এই উড়ানের কথা আগেই রাষ্ট্রপতি ভবনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। যদিও ১৮ অক্টোবর এই সফর হওয়ার কথা ছিল,কোন এক অজ্ঞাত কারণে তা পিছিয়ে যায়।
অম্বালা বিমানঘাঁটি ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম পুরনো ঘাঁটি, যেখানে ফরাসি প্রযুক্তিতে তৈরি রাফালে যুদ্ধবিমান অবস্থান করছে। এই সফরে রাষ্ট্রপতি সেই ঘাঁটির গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও যুদ্ধ প্রস্তুতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
এটি রাষ্ট্রপতি মুর্মুর প্রথম রাফালে উড়ান হলেও, ২০২৩ সালের ৮ এপ্রিল তিনি অসমের তেজপুর বিমানঘাঁটি থেকে সুখোই ৩০ এমকেআইতে চড়ে আকাশে উড়েছিলেন। প্রায় ৩০ মিনিটের সেই ঐতিহাসিক উড়ানে ব্রহ্মপুত্র নদী, তেজপুর উপত্যকা ও দূরে হিমালয়ের শৃঙ্গ সবই দেখা যায় আকাশ থেকে। বিমানটি তখন সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার ওপরে ও ঘণ্টায় প্রায় ৮০০ কিলোমিটার বেগে উড়ছিল।
সেই সময়ও রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেছিলেন "ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তিশালী সুখোই বিমানে উড়ে আমার গর্ব আরও বেড়ে গেল। দেশের আকাশসীমা রক্ষায় এদের সক্ষমতা অসাধারণ।"
এর আগে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিল ও এপিজে আবদুল কালামও যুদ্ধবিমানে উড়েছিলেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন দ্রৌপদী মুর্মু।
রাষ্ট্রপতির এই উড়ানের তাৎপর্য
দেশের প্রতিরক্ষা শক্তির প্রতি সর্বোচ্চ পদাধিকারীর সরাসরি আস্থার প্রতীক।
ভারতের আকাশরক্ষার শক্তি আজ আরও সুদৃঢ় এ কথাই যেন আকাশে উড়ে নিজ হাতে ছুঁয়ে দেখলেন দেশের রাষ্ট্রপতি।












Click it and Unblock the Notifications