• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

প্রজ্ঞা ঠাকুরকে বিষাক্ত রাসায়নিক যুক্ত চিঠি পাঠানোর দায়ে মহারাষ্ট্র থেকে গ্রেফতার এক চিকিৎসক

কয়েকদিন আগেই তাঁকে বিষাক্ত রাসায়নিক যুক্ত চিঠি পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন বিজেপি সাংসদ স্বাধ্বী প্রজ্ঞা ঠাকুর। এবার সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে মহারাষ্ট্রের নানদেদ থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ভোপাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞা ঠাকুরকে বিষাক্ত চিঠি পাঠানোর দায়ে গ্রেফতার এক

জানা গিয়েছে ধৃত ব্যক্তির নাম সঈদ আবদুল রহমান খান। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক। নানদেদ জেলার ধানেগাওঁতে তিনি একটি চিকিৎসাকেন্দ্র চালান বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। এই বিষয়ে ইতওয়ারা পুলিশ স্টেশনের ইন্সপেক্টর প্রদীপ ককড়ে বলেন, 'মধ্যপ্রদেশ জঙ্গি দমন বাহিনীর সদস্যরা ধানেগাওঁ থেকে সঈদ আবদুল রহমান খানকে গ্রেফতার করে। গত তিন মাস ধরেই তাকে পুলিশ নজরে রেখেছিল। এর আগেও সরকারি কর্মচাীরদের এরকম চিঠি লিখেছিল এই ব্যক্তি। জানা গিয়েছে ব্যক্তির মা এবং ভাইয়েরও জঙ্গিযোগ রয়েছে।'

এরপর ইন্সপেক্টর প্রদীপ ককড়ে বলেন, 'পুলিশ যে তার উপর নজর রাখছিল তা সঈদ আবদুল রহমান খানজানত। আর তাই সে অনেক সময়ই মোবাইল ফোন বাড়িতে রেখে নাগপুর বা ঔরাঙ্গাবাদ যেত। সেখান থেকে এই চিঠিগুলি সে নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে পাঠাত।'

এর আগে এই বিষয়ে ভোপালের ডিআইডি এরশাদ আলি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, সাংসদের কাছ থেকে তাঁরা একটি অভিযোগ পেয়েছিলেন। সাংসদ বলেছিলেন, তিনি ক্ষতিকারক রাসায়নিক দেওয়া খাম পেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেনন তিনি। শহরের পুলিশ সুপার উমেশ তিওয়ারি জানিয়েছিলেন, কমলানগর থানায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে এনিয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরপরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

English summary
Police arrested one from Maharashtra for sending a suspicious letter to Pragya Singh Thakur
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more