• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ঝাড়খণ্ডের ঘটনায় আমি বেদনাহত, কিন্তু তার জন্য গোটা রাজ্য দায়ী নয়, সংসদে বললেন মোদী

ঝাড়খণ্ডে চোর সন্দেগে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল তাবরেজ নামে এক যুবককে। গণপিটুনিতে হত্যার থেকেও বড় ইস্যু ছিল জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করা হয়েিছল তাকে। এই নিয়ে গোটা দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠতে থাকে। বিরোধীরা কোমড় বেঁধে নেমে পড়েন আন্দোলনে। বিজেপি শাসিত ঝাড়খণ্ডে গণপিটুনির ঘটনা ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই উত্তাল দিল্লি। লোকসভা অধিবেশনে কংগ্রেস সাংসদ গুলাম নবি আজাদ এই নিেয় সরব হয়েছিলেন।

ঝাড়খণ্ডের ঘটনায় আমি বেদনাহত, কিন্তু তার জন্য গোটা রাজ্য দায়ী নয়, সংসদে বললেন মোদী

বুধবার রাজ্যসভার অধিবেশনে প্রথম ঝাড়খণ্ডের গণপিটুনির ঘটনা নিয়ে মুখ খোলেন মোদী। তিনি বলেন, ‌'‌ঝাড়খণ্ডের ঘটনা আমাকেও বেদনা দিেয়ছে। আমি অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি। একই সঙ্গে বিরোধীদের নিশানা করে িতনি বলেন, অনেকেই এই ঘটনা নিয়ে অযথা রাজনীতি করছেন, একটা ঘটনা ঘটেছে বলে ঝাড়খণ্ডকে গণপিটুনি হাব হিসেবে প্রমাণ করতে চাইছেন তাঁরা। এটা একেবারেই ঠিক নয়, কেন তাঁরা গোটা রাজ্যটাকে অপমান করছে। আমাদের কারোরই অধিকার নেই এই একটা ঘটনার জনয় গোটা রাজ্যকে অপমান করার।'‌

এর আগেও গণপিটুনি ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে সওয়াল করেছেন বিরোধীরা। তবে মোদী-টু সরকারে এই প্রথম গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন:আর থাকবেনই না! সাংসদের দাবি উপেক্ষা করে স্পষ্ট বার্তা রাহুলের]

এদিন বিহারের শিশু মৃত্যুর ঘটনা নিয়েও রাজ্যসভায় বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, '‌বিহারে এনসেফ্যালাইটিসে শিশু মৃত্যুর ঘটনাও অত্যন্ত দর্ভাগ্যজনক। আমাদের কাছে অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। এই নিয়ে বড় পদক্ষেপ করতে হবে। আমি প্রতিনিয়ত এই নিয়ে খবরাখবর নিচ্ছি। আশা করছি খুব শীঘ্রই এই সংকট কাটিয়ে উঠতে পারব।'‌

[আরও পড়ুন:ভারতে আবাধে ব্যবসা বাড়াতে চায় আমেরিকা, বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়ার প্রস্তাব মোদী সরকারকে]

English summary
PM Modi Says, calling Jharkhand a hub of lynching is Not fair
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more