• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

‌গোটা ২০১৯ সালের তুলনায় প্রথম চারমাস মানুষ সবচেয়ে বেশি নগদ তুলেছে, জানালো আরবিআই

করোনা ভাইরাস দেশের অর্থনীতিকে একেবারে তলানিতে নিয়ে গিয়েছে। যদিও ২০১৯ সাল থেকেই দেশের অর্থনীতির পতন শুরু হয়ে গিয়েছিল। এরই মধ্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এক তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছে যে ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির অনিশ্চয়তা মানুষকে বাধ্য করেছিল যে পুরো ২০১৯ সালের তুলনায় ক্যালেন্ডারের প্রথম চারমাসে বেশি অর্থ সংগ্রহ করতে।

এ বছর এখনও পর্যন্ত মুদ্রার প্রচলন ২.৬৬ ট্রিলিয়ন ডলার

এ বছর এখনও পর্যন্ত মুদ্রার প্রচলন ২.৬৬ ট্রিলিয়ন ডলার

আরবিআই জানিয়েছে যে জানুয়ারি থেকে ১ মে মাসের মধ্যে মুদ্রার প্রচলন ছিল ২.৬৬ ট্রিলিয়ন ডলার। এ বছরের তুলনায়, পুরো ২০১৯ (জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর)-এ এটি ২.৪০ ট্রিলিয়ন টাকা বেড়েছে। দেশের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ যখন অচল হয়ে পড়ে তখন নগদের প্রচলনও (‌সিআইসি)‌ বেড়ে যায়। অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সিআইসিরও বৃদ্ধি পাওয়া উচিত, কারণ মানুষের অর্থের প্রয়োজন রয়েছে।

কোনও কারণ ছাড়াই বেড়েছে সিআইসি

কোনও কারণ ছাড়াই বেড়েছে সিআইসি

উৎসবের মরশুমে ও নির্বাচনের সময় নগদের চাহিদা সাধারণত বেড়ে যায়। কিন্তু কোনও বিশেষ উপলক্ষ্য ছাড়াই সিআইসির বৃদ্ধি হয়েছে এবং সেটা তখন হয়েছে যখন দেশের অর্থনীতি নাকানি-চোবানি খাচ্ছে। এর অর্থ মানুষ নিজেদের ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে টাকা রাখার পরিবর্তে মোটা অঙ্কের টাকা তুলে নিজেদের কাছে রাখছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাঙ্কিং পদ্ধতির ওপর অবিশ্বাস তৈরি হওয়ার জন্যই এই অনিশ্চয়তার প্রতিফলন ঘটছে। কিন্তু ব্যাঙ্ক নিয়ন্ত্রণের জন্য সিআইসির বৃদ্ধি নিজেই একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

টাকা রাখার নিশ্চিত স্থান আরবিআই

টাকা রাখার নিশ্চিত স্থান আরবিআই

তথ্য বলছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত ব্যাঙ্কগুলি অতিরিক্ত ৮.‌৫৩ ট্রিলিয়ন টাকা নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কাছে দাঁড়িয়েছে। এর কারণ ব্যাঙ্কগুলি এখন ঋণ দিতে চায় না এবং আরবিআইয়ের কাছে ৩.‌৭৫ শতাংশ সুদ অর্জন করে তাদের অর্থ রাখার নির্ভরযোগ্য স্থান বলে মনে হয়েছে। যদি লকডাউন উঠে যায় এবং অর্থনীতি স্বাভাবিক হয়, তবে আবার মানুষ তাঁদের অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন এবং ফের ডিপোজিট করবেন ব্যাঙ্কে। এটা ব্যাঙ্কিং পদ্ধতিকে আরও ভালো করে তুলবে।

ঋণ দেবে না ব্যাঙ্ক

ঋণ দেবে না ব্যাঙ্ক

ব্যাঙ্কগুলির এখন ঋণ দেওয়া শুরু করার সম্ভাবনা নেই এবং বিশাল সংখ্যক সক্ষমতা ব্যবহারহীন অবস্থায় পড়ে থাকা সংস্থাগুলি নিজেরাই তাদের ঋণ বাড়াতে চায় না। এমনিতেই লকডাউনের ফলে ব্যাঙ্ককে টাকা শোধ করতে অসক্ষম বহু ঋণ খেলাপি। যার জন্যই ব্যাঙ্কগুলি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে রয়েছে।

আজ পুরসভায় প্রশাসনিক বোর্ডের প্রথম বৈঠক, পুরানো নেমপ্লেট খোলা হল

অন্ধ্রপ্রদেশে গ্যাস লিকের ঘটনায় এলজি পলিমারকে ৫০ কোটি টাকা জরিমানা এনজিটির

English summary
The rise in currency in circulatiom is perplexing when economic activity has nosedived. Generally, CIC should rise in tandem with growth in economic activities, as people need cash to transact,
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X