দল ব্যক্তিগত সম্পত্তি হয়ে গিয়েছে! প্রভাবশালী দুই নেতার দলত্যাগে বড় ধাক্কা কংগ্রেসে
ফের প্রভাবশালী দুই নেতার দলত্যাগে বড় ধাক্কা কংগ্রেসে। তাও রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে আগে। হরিয়ানার কংগ্রেস বিধায়ক কিরণ চৌধুরী এবং তাঁর মেয়ে প্রাক্তন সাংসদ তথা হরিয়ানা কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি স্মৃতি চৌধুরী কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের কাছে তাঁদের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। দুজনেই ইমেলে তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
এদিকে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, বুধবার তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনুমান মেয়ে শ্রুতি চৌধুরী ভিওয়ানি-মহেন্দ্রগড় লোকসভার টিকিট না পাওয়ায় কংগ্রেস নেতৃত্বের ওপরে ক্ষুব্ধ কিরণ চৌধুরী। কংগ্রেস ওই আসন থেকে বর্তমান বিধায়ক এবং ভূপেন্দ্র সিং হুডার অনুগত রাও দান সিংকে টিকিট দিয়েছিল। যিনি বর্তমান বিজেপি সাংসদ ধরমবীর সিংয়ের কাাছে হেরে যান।

তবে লোকসভা নির্বাচনের সময়ে কিরণ চৌধুরী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছিলেন কিরণ চৌধুরী।
এদিকে কিরণ চৌধুরী তাঁর ইস্তফাপত্রে লিখেছেন, তিনি কংগ্রেসের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। তিনি চার দশক ধরে কংগ্রেসের অনুগত সদস্য ছিলেন। তিনি দল ও জনগণের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বংশীলালের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি প্রয়াত স্বামী সুরেন্দ্র সিংয়ের নাম করে বলেছেন, আধুনিক হরিয়ানার স্থপতির উত্তরাধিকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রসঙ্গত বংশীলালের পুত্রবধূ তিনি।
তিনি অভিযোগ করেছেন, হরিয়ানা কংগ্রেস ব্যক্তিগত জমানত হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। তাঁর মতো সৎ কণ্ঠস্বরকে পরিকল্পিতভাবে অবমাননা করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন কিরণ চৌধুরী। তাঁর নিশানা ভূপেন্দ্র সিং হুডাকেই।
অন্যদিকে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছেন, কিরণ চৌধুরী ভূপেন্দ্র সিং হুডাকে নিশানা করে বলেছেন, তিনি এক কোণে ঠেলে দিয়েছেন। অপমান সহ্য করার একটা সীমা আছে। তিনি ও শ্রুতি দুজনেই কংগ্রেসের প্রাথমিক সদস্যপদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন বলেও জানিয়েছেন। কিরণ চৌধুরীর পরিবার রাজ্যে ভূপেন্দ্র সিং হুডার কট্টর প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হয়।












Click it and Unblock the Notifications