• search

১৬ বছর ভারতের জেলে কাটিয়ে গীতা হাতে দেশে ফিরছেন পাকিস্তানের জালাল উদ্দিন

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    বারাণসীর জেলে ১৬ বছর কেটেছে পাকিস্তানের জালাল উদ্দিনের। বারাণসীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে সন্দেহজনক নথি সমেত তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এতবছর পরে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। দেশের ফেরার সময়ে হাতে শ্রী মদ্ভগবত গীতা নিয়ে গিয়েছেন জালাল উদ্দিন।

    ১৬ বছর ভারতের জেলে কাটিয়ে গীতা হাতে দেশে ফিরছেন পাকিস্তানের জালাল উদ্দিন

    ২০০১ সালে জালাল উদ্দিন গ্রেফতারর হন। বায়ুসেনার অফিসের সামনে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এমনটাই জানিয়েছেন বারাণসীর সেন্ট্রাল জেলের সিনিয়র সুপারিনটেনড্যান্ট অম্বরীশ গৌড়।

    সেই ঘটনায় আদালত পাকিস্তানের নাগরিক জালাল উদ্দিনকে ১৬ বছর কারাদণ্ড দেয় ভারতের আদালত। অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট ও ফরেনার্, অ্যাক্ট অনুযায়ী তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। এবার তিনি ছাড়া পেয়ে হাতে গীতা নিয়ে দেশে ফিরেছেন।

    যখন গ্রেফতার হন, তখন জালাল উদ্দিন সদ্য হাই স্কুলের গণ্ডী পেরিয়েছেন। জেল থেকেই ইন্দিরা গান্ধী মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে স্নাতকোত্তর পাশ করেছেন তিনি। জেলে বসেই ইলেকট্রিশিয়ানের কোর্সও করেন। শেষ তিনবছর জেলের ক্রিকেট লিগের আম্পায়ারও ছিলেন জালাল উদ্দিন।

    জালাল উদ্দিনকে অমৃতসরের সীমানা পেরিয়ে নিজের দেশে ফেরত পাঠানো হবে। ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত দিয়ে দেশে যাবেন জালাল উদ্দিন। সেখানে পাকিস্তানি প্রশাসনের হাতে জালাল উদ্দিনকে তুলে দেওয়া হবে। তবে ভারত থেকে তিনি যে গীতা সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন তাতে অনেকেই অবাক হয়েছেন।

    [আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদীকে 'অ্যানাকোন্ডা সাপ' বলে আক্রমণ অন্ধ্রের মন্ত্রীর]

    [আরও পড়ুন:রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়া নিয়ে সংশয় খোদ হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতার]

    English summary
    Pakistani national ends 16-year term at Varanasi jail, takes Bhagavad Gita home

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more