পাক হাইকমিশনারের বুদ্ধিতেই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাত হুরিয়ত নেতারা, বিস্ফোরক তথ্য এনআইএ চার্জশিট
সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে টাকা খরচ করার উপায় হুরিয়াত নেতাদের বলত দিল্লিতে অবস্থিত পাকিস্তানি হাইকমিশনার। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র দাখিল করা সাম্প্রতীক এক চার্জশিটে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল।
সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে টাকা খরচ করার উপায় হুরিয়াত নেতাদের বলত দিল্লিতে অবস্থিত পাকিস্তানি হাইকমিশনার। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র দাখিল করা সাম্প্রতীক এক চার্জশিটে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল।

এনআইএ সেই চার্জশিটে বলে, "সন্ত্রাসে ব্যবহৃত যাবতীয় টাকা নিয়ন্ত্রণরেখায় চলা বেআইনি ব্যবসা থেকে উপার্জিত। সেখান থেকে হাওয়ালার মাধ্যমে বা সেই বেআইনি ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেই সেই টাকাগুলি দিল্লিতে নিয়ে আসা হয়। কাশ্মীরি হস্তশিল্পের আমদানি রপ্তানি থেকে পার্প্ত আয়েরও একটা অংশ হুরিয়ত নেতারা নিয়ে নেন।"
জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের প্রধান ইয়াশিন মালিকের বিরুদ্ধে দাখিল করা দ্বিতীয় অতিরিক্ত এই চার্জশিটে এই সব তথ্য জানায় এনআইএ। সংশ্লিষ্ট মামলায় অভইযুক্ত রয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীর ডেমক্রযাটিক ফ্রিডম পার্টির নেতা শবির শাহ, দুখতরণ-ইমিলাত প্রধান আসিয়া আন্দারবি, অল পার্টি হুরিয়ত কনফারেন্সের সাধারণ সম্পাদক মাসারাত আলম ও কাশ্মীরের প্রাক্তন বিধায়ক রশিদ ইঞ্জিনিয়র। চার্জশিটে জানানো হয়, এরা সবাই ২০১০ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত পাকিস্তান থেকে অর্থ সাহায্য নিয়ে সন্ত্রাসি কার্যকলাপে মদত দিয়েছে।
হোটেল মালিকদের লভ্যাংশ থেকেও হুরিয়ত নেতারা টাকা নিয়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে বলে বলা হয় চার্জশিটে। এনআইএ বলে, "হরিয়ত নেতারা ভারত বিরোধী কার্যকলাপ করা জঙ্গিদের কাশ্মীরিদের কাছে হিরো হিসাবে দেখাতো। এবং তরুণ প্রজন্মের আরও অনেককে জঙ্গি হতে উৎসাহিত করত। আর এই সব কিছুই হত পাক হাইকমিশনারের বুদ্ধিতে।"












Click it and Unblock the Notifications