• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

প্রায় ৩ কোটির কর্মসংস্থান গত ৪ বছরে! লোকসভায় দাবি সরকারের

এমজিএনআরইজিএ প্রকল্প গত ৪ বছরে দু কোটি সত্তর লক্ষের ওপর কর্মসংস্থান হয়েছে। ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে এই কর্মসংস্থান করা সম্ভব হয়েছে, লোকসভায় দাবি করা হয়েছে সরকারের পক্ষে। পরপর চার বছরে এই প্রকল্পে কাজ পাওয়ার সংখ্যাটা যথাক্রমে ২০১৫-১৬-তে ৭২২.৫৯ লক্ষ, ২০১৬-১৭-তে ৭৬৬.৯১ লক্ষ, ২০১৭-১৮তে ৭৫৯.১৫ লক্ষ এবং ২০১৮-১৯ সালে ৭৭৭.৪১ লক্ষ।

প্রায় ৩ কোটির কর্মসংস্থান গত ৪ বছরে! লোকসভায় দাবি সরকারের

২০১৫-১৬ সালে ৭২.৭৪ লক্ষ যুবক যুবতী এই প্রকল্পে কাজ পেয়েছেন। এই আর্থিক বছরে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে যাঁরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে এই সংখ্যাটা ১০ .০৭ শতাংশের মতো। প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার। ২০১৬-১৭ সালে এই প্রকল্পে ৬৯.৭৮ লক্ষ যুবক যুবতী এই প্রকল্পে কাজ পেয়েছেন। ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে যাঁরা এই সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের সংখ্যাটা মোট কর্মসংস্থানের ৯.১০ শতাংশের মতো। ২০১৭-১৮ সালে এই প্রকল্পে কাজ পাওয়ার সংখ্যা ৫৮.৭০ লক্ষের মতো। শতাংশের নিরিখে যা ৭.৭৩ শতাংশের মতো। ২০১৮-১৯ সালে এই প্রকল্পে কাজ পাওয়ার সংখ্যা ৭০.৭৪ শতাংশ। শতাংশের নিরিখে মোট কর্মসংস্থানের মধ্যে যা ৯.১০ শতাংশের মতো।

পরপর চার বছরে এই প্রকল্পে কাজ পাওয়ার সংখ্যাটা যথাক্রমে ২০১৫-১৬-তে ৭২২.৫৯ লক্ষ, ২০১৬-১৭-তে ৭৬৬.৯১ লক্ষ, ২০১৭-১৮তে ৭৫৯.১৫ লক্ষ এবং ২০১৮-১৯ সালে ৭৭৭.৪১ লক্ষ।

মহাত্মা গান্ধী এনআরইজিএস হল চাহিদা ভিত্তিক মজুরি কর্মসংস্থান প্রকল্প। যা জীবনধারনের উপায় বাতলে দেয়। গ্রামীণ পরিবারগুলি যখন জীবিকার জন্য বিকল্প কোন কিছুর সন্ধান পায় না, তখনই তাঁরা এই প্রকল্পের সুযোগ নেয়।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, ১০০ দিনের কাজেই বাইরেও, খরা প্রবণ এলাকাগুলিতে বাড়তি ৫০ দিনের কাজের বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

English summary
Over 270 lakh people in the age group of 18-30 years have been employed under MGNREGA in last 4 years. Govt claims in Loksabha.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more