করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক, আর্থিক ক্ষতির জন্য গোএয়ার বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠালো কর্মীদের
করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক, আর্থিক ক্ষতির জন্য গোএয়ার বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠালো কর্মীদের
তাদের আর্থিক ক্ষতির কথা মাথায় রেখে এবার গোএয়ার তার কর্মচারীদের একাংশকে বিনা বেতনে ছুটিতে যেতে বলেছে কারণ মহামারি হিসাবে অভিহিত করোনা ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব বিশ্বব্যাপী বিমান চলাচলের শিল্পকে তীব্র আঘাত করেছে।

কর্মীদের ছুটিতে পাঠানো, বেতন কাটা
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে গোএয়ার জানিয়েছে, ‘একটি স্বল্পমেয়াদী এবং অস্থায়ী আবর্তনমূলক বেতন ছাড়াই ছুটি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে যা কেবল সংস্থাকে সামর্থ্যের স্বল্প মেয়াদী হ্রাস মোকাবিলা করতে সহায়তা করবে তাই নয়, তবে ব্যবসার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে আমাদের কর্মীদের একটি অংশ কর্মস্থলে কাজ চালাবে।' এখানে উল্লেখ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ যে বেশিরভাগ দেশই তাদের বিদেশী পর্যটক আগমনকারীদের ওপর করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে পারে এই আশঙ্কায় বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যার ফলে বিমান সংস্থা তাদের বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক বিমান বাতিল করে দিয়েছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় অধিকাংশ মানুষই বাড়িতে থাকছেন বলে দেশীয় বিমানগুলিও বাতিল করতে হয়েছে গোএয়ারকে।

১৭ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধ
১৭ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত গোএয়ার তাদের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বন্ধ রেখেছে। বিমান সংস্থা পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দামাম, কুয়েত, মাস্কেট, আবু ধাবি, দুবাই, ব্যাঙ্কক, ফুকেত ও মেলে আন্তর্জাতিক বিমান চলে গোএয়ারের। এই বিমান সংস্থার ৩৫ শতাংশের কর্মীদের ছুটিতে যেতে বলা হয়েছে। এটা বাড়তেও পারে বলে জানানো হয়েছে বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে। সূত্রের খবর, বাকি কর্মীদের বেতনও কাটা হতে পারে, যদিও গোএয়ারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

এমিরেটস সহ অন্য অনেক বিমান সংস্থাই একই পথে হাঁটছে
এই মাসের প্রথমদিকে, এমিরেটস তার কিছু কর্মচারিদের বেতন ছাড়া ছুটিতে চলে যেতে বলে। একইভাবে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস ও ইউনাইটেড এয়ারলাইনসও উচ্চস্তরের কর্মীদের বেতন কাটা হয়েছে। বিশ্বের বহু দেশের অনেক বিমান সংস্থাই তাদের আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমান বাতিল করে দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications