One Nation One Election Bill: লোকসভায় পেশ হয়ে গেল ‘এক দেশ এক ভোট’ বিল, পেশ করলেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী

One Nation One Election Bill: শীতকালীন অধিবেশন শেষ হতে আর মাত্র ৪ দিন বাকি। তারই মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার লোকসভায় 'ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন' বিল(One Nation One Election Bill) পেশ করে দিল এবার। বিরোধীদের তীব্র বিরোধীতার মধ্যেই লোকসভায় পেশ হল 'এক দেশ এক ভোট' বিলটি। বিলটিতে রাজ্য বিধানসভাগুলির জন্য একটি সাংবিধানিক সংশোধনী বিল রয়েছে এবং অন্যটি দিল্লি এবং অন্যান্য সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির বিষয়ে উল্লেখ করা রয়েছে।

এদিন সকালে এনসিপি শরদ পাওয়ার গোষ্ঠীর সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে 'ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন' বিলের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছিলেন যে তিনি বিলটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর দাবি করছেন। একই দাবি রাখছেন অন্যান্য বিরোধীরাও।

One Nation One Election bill introduced in Lok Sabha

লোকসভার আলোচ্যসূচি অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল এদিন "এক দেশ, এক নির্বাচন" বিল (One Nation One Election Bill)পেশ করলেন। এর পরে, তিনি স্পিকার ওম বিড়লাকে বিস্তৃত আলোচনার জন্য সংসদের একটি যৌথ কমিটির কাছে বিলটি পাঠাতে অনুরোধ করেন।

এক দেশ এক নির্বাচন বিলটি, যা জম্মু ও কাশ্মীর, পুদুচেরি এবং দিল্লির এনসিটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির নির্বাচনকেও সারিবদ্ধ করতে চায়, গত সপ্তাহে মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে, তা নিয়েও এদিন আলোচনা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

১৩ ডিসেম্বর রাতে প্রচারিত বিলের একটি অনুলিপি অনুসারে, যদি লোকসভা বা কোনও রাজ্য বিধানসভা তার পূর্ণ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ভেঙে দেওয়া হয়, তবে মধ্যবর্তী নির্বাচন শুধুমাত্র সেই বিধানসভার জন্য অনুষ্ঠিত হবে যাতে তার অবশিষ্ট পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হয়।

বিলটিতে ধারা 82(A) (জনগণের হাউস এবং সমস্ত আইনসভার একযোগে নির্বাচন) এবং 83 (সংসদ কক্ষের মেয়াদ), 172, এবং 327 (নির্বাচনের বিষয়ে বিধান করার জন্য সংসদের ক্ষমতা) অনুচ্ছেদ সংশোধন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিল অনুসারে, "নিযুক্ত তারিখ" হবে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরে, একযোগে নির্বাচন ২০৩৪ সালে শুরু হওয়ার কথা।

গত সপ্তাহে, কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ দাবি করেছিলেন যে 'এক দেশ এক নির্বাচন'(One Nation One Election Bill) বিলটি একটি যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হোক।

জয়রাম রমেশের কথায়,"বিলটি সংসদে পেশ করা হবে, এবং আমরা চাই এটি যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে পাঠানো হোক, যারা এটি নিয়ে আলোচনা করবে। কংগ্রেসের অবস্থান গত বছর স্পষ্ট করেছিলেন পার্টির সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, যিনি চার পৃষ্ঠার একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দের ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন কমিটির কাছে চিঠিতে বলা হয়েছে যে আমরা বিলের বিরোধিতা করি"।

যেহেতু লোকসভার বর্তমান সংখ্যা ৫৪২, তাই সরকারের ৩৬১ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) ছাড়াও, সরকারকে সমর্থন করার জন্য ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি (ওয়াইএসআরসিপি), বিজু জনতা দল (বিজেডি) এবং অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্র কাজগম (এআইএডিএমকে) এর মতো জোট নিরপেক্ষ দলগুলির প্রয়োজন হবে বিল পাশের জন্যে।

রাজ্যসভায়, যার বর্তমানে ২৩১ জন সদস্য রয়েছে, সরকারের ১৫৪ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হবে। রাজ্য হাউসে এনডিএ-র বর্তমান শক্তি ১১৪, এবং ছয়টি মনোনীত সদস্য এবং বিরোধী দল ইন্ডিয়া জোটে ৮৬ জন, এবং অন্যদের ২৫ জন সদস্য। অতএব রাজ্যসভাতেও বিল পেশের জন্যে সদস্য সংখ্যা প্রয়োজন।

স্বাভাবিক ভাবেই 'এক দেশ এক নির্বাচন' এর ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা রয়েছে সকল দলেরই। আর তাই সম্মতি এবং বিরোধিতার মাঝেই লোকসভায় পেশ হল ওয়ান নেশন ওয়ান ইলেকশন বিল।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+