এমন খবরে ছিঃ ছিঃ করবেন, ছেলে বেচে স্মার্টফোন কিনলেন বাবা, বাকী টাকা উবে গেল মদের পিছনে

  • Posted By:
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    অনেকসময়ে শোনা যায় অভাবের তাড়নায় বাবা-মা মাত্র কয়েকটা টাকার জন্য সন্তান বেচে দেন। বিভিন্ন সময়ে এই ধরনের খবর সংবাদ শিরোনামে চলে আসে। বাবা-মার প্রতি সকলেই এই ঘটনা জানার পর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

    [আরও পড়ুন:মেট্রোয় বয়স্কদের সিটে বসে পড়েন না তো! তাহলে ঘটতে পারে এমন ঘটনা, দেখুন ভিডিও]

    এমন খবরে ছিঃ ছিঃ করবেন, ছেলে বেচে স্মার্টফোন কিনলেন বাবা, বাকী টাকা উবে গেল মদের পিছনে

    তবে ওড়িশার এক বাবা যা করলেন তাতে একেবারে ছিঃ ছিঃ পড়ে গিয়েছে। মাত্র ২৫ হাজার টাকার জন্য নিজের ১১ মাসের সন্তান বেচে দিয়েছেন তিনি। এবং তা করেছেন স্মার্টফোন কেনার জন্য।

    অভিযুক্তের নাম বলরাম মুখী। ওড়িশার ভদ্রকের বাসিন্দা এই ব্যক্তি ছেলে বেচে মোবাইল ফোন, রুপোর নুপূর ও মদ কিনেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, মোবাইল কিনতে ২ হাজার টাকা, রুপোর নুপূর কিনতে ১৫০০ টাকা ও বাকীটা মদের পিছনে খরচ করেছেন বলরাম। নিজের সাত বছরের মেয়ের জন্য নুপূরটি কিনেছে বলরাম। ঘটনায় তাঁর স্ত্রী সুকুটিতেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তাঁদের একটি দশ বছরের ছেলেও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    এই ঘটনা সামনে আসার পরই বলরাম নামে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পেশায় মেথরের কাজ করা বলরামের কোনও নির্দিষ্ট রোজগার নেই। এবং নানা সময়ে বিভিন্ন অপরাধে তার নাম পুলিশের খাতায় উঠেছে।

    English summary
    Odisha man sells son for Rs 25,000, splurges money on mobile phone, alcohol

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more