মুখে অসাড়তা, ঝাপসা হচ্ছে দৃষ্টি? ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের কারল থাবা বাজাতে পারে মৃত্যু ঘণ্টা
মুখে অসাড়তা, ঝাপসা হচ্ছে দৃষ্টি? আপনার শরীরে থাবা বসায়নি তো ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ?
গোটা দেশে ক্রমেই চওড়া হচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের থাবা। আক্রান্তের সংখ্যাও ১০ হাজারের গণ্ডি ছুঁইছুঁই।এদিকে কালো ফাঙ্গাসের রোগ বা মিউকোরোমাইকোসিস কোভিড আক্রান্তদের মধ্যে ত্বকের সমস্যা হয়ে শুরু হলেও এই সংক্রমণ ছড়াতে পারে ফুসফুস এবং মস্তিষ্কে। মুখের একদিকে ব্যাথাও এই রোগের প্রাথমিক উপসর্গ। এই রোগী আক্রান্তদের অধিকাংশই দৃষ্টিহীনতারও শিকার বলেও জানা যাচ্ছে।

মূলত যাদের কোমরবিডিটি, ভেরিকোনাজল থেরাপি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস মেলিটাস, বারংবার স্টেরয়েড নিয়েছেন বা দীর্ঘাদিন আইসিইউ-তে থেকেছেন তারা অনেক বেশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের শিকার হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। শরীরে যন্ত্রণা, চোখ-নাকের পাশ দিয়ে ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, জ্বর, মাথা ব্যথা, কাশি, নিঃশ্বাসের সমস্যা, রক্তবমি, মুখে অসাড়তা, স্মৃতি শক্তিতে প্রভাব অর্থাৎ ভুলে যাওয়ার সমস্যা প্রাথমিক ভাবে মাথাচাড়া দেয় এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের৷
অন্যদিকে ঘন ঘন নাক বন্ধ বা নাক দিয়ে রক্ত পড়া, মাড়ি ফুলে যাওয়া, চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মাটি, হাওয়া, গাছগাছড়া, বাসী-পচা খাবার এমনকী এয়ার কন্ডিশনারের ড্রিপ প্যান থেকেও ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়াতে পারে। ত্বকে কোনও আঘাত থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে।
তবে রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত পরীক্ষা করার মাধ্যমেও এই রোগের ধার সম্পর্কে আঁচ পাওয়া যায়। পাশাপাশি শরীরে ফাঙ্গাসের উপস্থিতি বুঝতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে দেরি না করার সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াও এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্টেরয়েড না নেওয়াই বাঞ্ছনীয় বলে মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে সংক্রমণের উপসর্গকে অবহেলা না-করার সঙ্গে চিকিৎসা শুরু করতে একটুও সময় নষ্ট না করলেই মৃত্যু এড়ানো সম্ভব বলে মত বিশেষজ্ঞদেরও।












Click it and Unblock the Notifications