অযোধ্যার রায়! দোভালের সঙ্গে শান্তি নিয়ে আলোচনা দুপক্ষের ধর্মীয় নেতাদের
অযোধ্যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পরের দিনই হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।
অযোধ্যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পরের দিনই হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তাঁদের কাছে আবেদন করার পাশাপাশি দেশের মানুষের কাছে আবেদন, যাতে তাঁরা এই রায়কে সম্মান জানান।

অযোধ্যা নিয়ে বৈঠকে ডাক হিন্দু নেতাদের
বৈঠকে ১৮ জন হিন্দু নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। উপস্থিত থাকাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন বাবা রামদেব এবং ভিএইচপির ৪ প্রতিনিধি।

অযোধ্যা নিয়ে বৈঠকে ডাক মুসলিম নেতাদের
বৈঠকে একডজন মুসলিম ধর্মীয় নেতা, বুদ্ধিজীবীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ছিলেন শিয়া নেতা মৌলনা কালবে জাওয়াদ, নিজামুদ্দিন আউলিয়া দরগার পীর ফরিদ আহমেদ নিজামি এবং জামাত ই ইসলামি হিন্দের সভাপতি মহম্মদ ইঞ্জিনিয়ার সালিম।

স্থানীয় ভিত্তিতে শান্তি আলোচনা
শনিবার উত্তর প্রদেশের ডিজিপি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, অযোধ্যার রায় নিয়ে শান্তি বজায় থাকার অন্যতম কারণ হল, গত একমাস ধরে সম্প্রদায়ভিত্তিক নেতাদের সঙ্গে জেলা এবং থানা ভিত্তিক সরাসরি যোগাযোগ। শান্তি কমিটির মাধ্যমে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হয়েছে স্থানীয় ভিত্তিতে।
|
যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোড়
অন্যদিকে এনএসএ এই কাজটি করেছেন একটা বড় পর্যায়ে। জাতীয় পর্যায়ে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, রবিবারের বৈঠকে, ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোড় দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সৌভ্রাতৃত্বের বাতাবরণ তৈরির ওপরও জোড় দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমি রামলালা বিরাজমানের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ যেমন দিয়েছে, অন্যদিকে অযোধ্যাতেই মসজিদ তৈরির জন্য ৫ একর জমি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকারকে।
রবিবারের বৈঠকে ধর্মীয় নেতারা দেশের আইন এবং সংবিধানের ওপর বিশ্বাস রেখেছেন বলেই জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত মানতে দেশবাসীর কাছেও আহ্বান জানিয়েছেন। ধর্মীয় নেতারা শান্তি বজায় রাখতে সরকারকে আশ্বস্ত করেছেন বলেও জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications