ত্রিপুরায় এনআরসি হলে সবার আগে ফল ভুগবেন বিপ্লব দেব! স্যোশাল মিডিয়ায় শুরু বিদ্রুপ

  • Posted By:
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জীকরণের ফলে ৪০ লক্ষের বেশি মানুষকে উদ্বাস্তু বলে ঘোষণা করা হয়েছে। যা নিয়ে সারা দেশে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বাংলায় এমন নাগরিকপঞ্জী তৈরি হবে কিনা তা নিয়ে জল্পনার উত্তর পাওয়া গিয়েছে। এই ধরনের ঘটনা বাংলায় বরদাস্ত করা হবে না। এমন নিয়ম কেন্দ্র চাপিয়ে দিলে গৃহযুদ্ধ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে বাংলায় তা হচ্ছে না বলেই ধরে নেওয়া যায়।

    ত্রিপুরায় এনআরসি হলে সবার আগে ফল ভুগবেন বিপ্লব দেব! স্যোশাল মিডিয়ায় শুরু বিদ্রুপ

    আর এক উত্তর-পূর্বের বিজেপি শাসিত রাজ্য ত্রিপুরায় কি শেষ অবধি জাতীয় নাগরিকপঞ্জী তৈরির কাজ শুরু হবে? কারণ এটিও সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত। এই প্রশ্নের জবাবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব জানিয়েছেন, এমন কোনও নাগরিকপঞ্জী ত্রিপুরায় তৈরি হচ্ছে না। যা শুনে স্যোশাল মিডিয়ায় জোর আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    বলা হচ্ছে, ত্রিপুরায় গণনা শুরু হয়ে সবার আগে বিপ্লব দেবে নামই বাদ যাবে। কারণ তাঁর পরিবার বাংলাদেশ থেকে এদেশে এসেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বিপ্লবের বাবা প্রয়াত হিরুধন দেব ও মা মীনা রানি দেব বাংলাদেশের মেঘদাইর গ্রাম থেকে এসেছিলেন। বিপ্লবের জন্ম এদেশে হলেও তিনি মায়ের পেটে এসেছিলেন বাংলাদেশে থাকাকালীনই। একথা বিপ্লব দেব মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সময়ই সামনে এসেছিল।

    এখনও বিপ্লব দেবের বহু আত্মীয় বাংলাদেশে থাকেন। গতবছরে বাংলাদেশ সফর করে নিজের পৈতৃক ভিটেও দেখে এসেছেন বিপ্লব। সেটা ধরেই এখন নতুন করে সমালোচনা ও ব্যঙ্গ শুরু হয়েছে। বিপ্লব দেবকে নিয়ে কটাক্ষ করছেন বিরোধীরা। স্যোশাল মিডিয়ায় বিদ্রুপ শুরু হয়েছে।

    English summary
    NRC issue : Biplab Deb criticised for having Bangladeshi connection

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more