করোনার ধাক্কা! এক বছরের জন্য পিছতে পারে এনপিআর, থমকাতে পারে জনগণনার প্রক্রিয়াও
করোনার ধাক্কা! এক বছরের জন্য পিছতে পারে এনপিআর, থমকাতে পারে জনগণনার প্রক্রিয়াও
ইতিমধ্যেই দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার প্রকোপ। সেই সঙ্গে নিত্য নতুন রেকর্ডও গড়ছে দৈনন্দিন করোনা সংক্রমণ। যা সামাল দিতে গিয়েই নাজেহাল অবস্থা কেন্দ্র সরকারের। এমতাবস্থায় জনগণনা এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনপিআর) কাজ একবছরের জন্য পিছিয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কী বলছে কেন্দ্র ?
সূত্রের খবর, করোনা মহামারীর রেশ না কাটা পর্যন্ত এই কাজে হাত লাগাতে চাইছে না কেন্দ্র। প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তার মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই মুহূর্তে এনপিআর নয়, বরং কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করাই অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। যদিও এই প্রসঙ্গে এখও পর্য়ন্ত মোদী সরকারের তরফে কিছুই ঘোষণা করা হয়নি।

১ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু হওয়ার কথা
এদিকে, চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশ জুড়ে ২০২১-এর জনগণনা এবং তারই সঙ্গে এনপিআর-এর প্রথম পর্বের কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মার্চের শেষ ভাগেই গোটা দেশে করোনার থাবায় গোটা প্রক্রিয়ায় বিলম্বিত হয়। এদিকেতার পর থেকে পাঁচ মাস অতিক্রান্ত হলেও আজও হাতে আসেনি করোনার টিকা। যার জেরে এই সঙ্কটকালীন পরিস্থিতির মধ্যে এই কাজে খানিক স্থগিতাদেশ দেওয়ার পক্ষেই হাঁটতে চাইছে কেন্দ্র।

৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার
এদিকে জাতীয় জনসংখ্যা নিবন্ধন বা এনপিআর আপডেট করার জন্য গত বছরই প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা। ২০১০ সালেই প্রথম এনপিআর তৈরি করা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরবর্তীকালে ২০১৫ সাল সালে আধার সংযুক্তিকরণের সময় এটি একবার আপডেটও করা হয়।

সেন্সাস কমিশনারের নিয়ন্ত্রণাধীনেই গোটা প্রক্রিয়া
এদিকে ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং সেন্সাস কমিশনার আওয়াতেই গোটা এনপিআর আপডেট প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হওয়ার কথা। সোজা কথায় এনপিআর হল দেশের 'সাধারণ বাসিন্দা'দের একটি রেজিস্টার বা পঞ্জী। ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন, ২০০৩ সালের নাগরিকত্ব বিধি অনুসারে স্থানীয় (গ্রাম / উপ-শহর), মহকুমা, জেলা, রাজ্য ও জাতীয় পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করার কথা হয় এই প্রক্রিয়ায়।

কি ভাবে হবে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নিবন্ধীকরণ প্রক্রিয়া ?
এই ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন এবং ২০০৩ সালের নাগরিকত্ব বিধি অনুযায়ী এই প্রক্রিয়ার কাজ হওয়ার কথা রয়েছে। এই আইনের বলেই কোনও নাগরিক দেশের জাতীয় পরিচয় পত্র পেয়ে থাকেন। বিগত ছয় মাস বা তার বেশি সময় ধরে কোনও স্থানীয় অঞ্চলে বসবাসকারী বা পরবর্তী ছয়মাস ওই অঞ্চলে বসবাস করবেন এমন ব্যক্তিদেরই সাধারণ দেশের 'সাধারণ বাসিন্দা বলে ধরা হয়। সেই অনুযায়ী জাতীয় নাগরিকপঞ্জি তৈরির কাজ চলে।












Click it and Unblock the Notifications