‘নিজে অকর্মন্য, অন্যেদেরও হাত বাঁধা’, করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী
করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর
সম্প্রতি করোনা মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে ডাকা বৈঠকে মোদীর দাদাগিরি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। যা নিয়ে গত কয়েকদিনে রীতিমতো উত্তাল হয় রাজ্য-রাজনীতি। এমতাবস্থায় এবার করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের ব্যর্থতা নিয়ে সরব হতে দেখা গেল ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে। তার দাবি না কেন্দ্র নিজে কাজ করছে না অন্যদের কাজ করতে দিচ্ছে। যার ফলে ক্রমেই আরও কঠিন হয়ে উঠছে এই অদৃশ্য শত্রুর সাথে মোকাবিলা।।

সংবাদমাধ্যম ইণ্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেন, “ এট কী জাতীয় মহামারি নাকি শুধুমাত্র রাজ্য-ভিত্তিক মহামারি ? কেন্দ্র তো আমাদের কোনও দায়িত্বই দিচ্ছে না। উল্টে করোনা মোকাবিলার সমস্ত ক্ষমতা নিজের হাতে রেখে নিজেই কোনও কাজ করছে না।” এমনকী কেন্দ্রে টিকা ও ওষুধ নীতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন হেমন্ত।
হেমন্তের দাবি কেন্দ্র একপ্রকার জোর করে রাজ্যগুলির থেকে ভ্যাকসিন আমদানির অধিকার ছিনিয়ে রেখেছে। প্রয়োজনে নিজের ইচ্ছা মতো ওষুধ আনতে পারছে না রাজ্যগুলো। এদিকে কেন্দ্র যখন চাইছে তারা আমদানি করিয়ে নিচ্ছে। আবার সেই ওষুধ বণ্টনেও উঠছে বঞ্চনার অভিযোগ। অক্সিজেন, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং ভ্যাকসিনের বরাদ্দ প্রতিক্ষেত্রেই নিজের ইচ্ছানুযায়া কাজ করার স্বাধিকার পাচ্ছে কেন্দ্র।
কিন্তু প্রয়োজেনর সময় রাজ্যগুলিতে না আসছে ওষুধ, না আসছে অক্সিজেন। দিনে দিনে চরম উঠছে টিকার সঙ্কট। হেমন্তের দাবি শুধুমাত্র ঝাড়খণ্ডের জন্য বর্তমানে সাড়ে তিন থেকে চার কোটি টিকা ডোজ প্রয়োজন। কিন্তু ঝাড়খণ্ডের হাতে এখনও পর্যন্ত মাত্র ৪০ লক্ষ টিকা ডোজ এসে পৌঁছেছে। এদিকে শুধুমাত্র ঝাড়খণ়্ নয়, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একই অভিযোগে সরব হয়েছে কমবেশি প্রায় সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলের হাতে থাকা রাজ্যগুলি।












Click it and Unblock the Notifications