কংগ্রেসের জন্য বিরাট ধাক্কা, কর্নাটকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বন্ধু শরদ পাওয়ারের দল
কংগ্রেসের জন্য বিরাট ধাক্কা কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে। কংগ্রেসের মহারাষ্ট্রের জোট সঙ্গী বন্ধু শরদ পাওয়ারের দল এনসিপি এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছে কর্নাটকে। তারা ৪০ থেকে ৪৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় করার পরিকল্পনা করছে। ফলে কংগ্রেসের জন্য তা খারাপ বলেই মনে করচে রাজনৈতিক মহল।
কর্নাটকে ১০ মে নির্বাচনে এবার ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে চলেছে। বিজেপি, কংগ্রেস ও জনতা দল ইউনাইডেট এবার সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ। এই তিন প্রধান দল ছাড়াও এবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে আম আদমি পার্টি। এখন আবার কংগ্রেসের জোটসঙ্গী এনসিপিও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিরোধী ঐক্য গড়তে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে শরদ পাওয়ার সম্প্রতি বৈঠকে বসেছিলেন। বৈঠকের ঠিক একদিন পরেই এনসিপি-র তরফে ঘোষণা করা হল, তারা আগামী মাসের কর্নাটক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। শরাদ পাওয়ারের দলের এই সিদ্ধান্ত বৃহত্তর বিরোধী ঐক্যের জন্য একটি বড় আঘাত বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্প্রতি এনসিপি তার জাতীয় মর্যাদা হারিয়েছে। তার ফলে এনসিপি কর্নাটক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এনসিপি নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল বলেন, "আমাদের জাতীয় দলের মর্যাদা পুনরুদ্ধারের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।" নির্বাচন কমিশন কর্নাটক নির্বাচনের জন্য এনসিপিকে তার অ্যালার্ম ঘড়ি প্রতীক বরাদ্দ করেছে।

এনসিপি মহারাষ্ট্র-কর্নাটক সীমানা অঞ্চলে মহারাষ্ট্র একীকরণ সমিতির সঙ্গে আসন সমঝোতা করে ভোটে লড়বে। ওই অঞ্চলে প্রচুর মারাঠি জনসংখ্যা রয়েছে। কর্নাটক নির্বাচনে এনসিপি-র উপস্থিতি তাদের বন্দশক্তি কংগ্রেসের জন্য একটা ধাক্কা। এবার নির্বাচনে কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে মিত্রশক্তিরাই বিরোধিতা করলে বিজেপি সুবিধা পেয়ে যাবে।
একদিন আগেই এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও রাহুল গান্ধীর সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে সম্প্রতি আদানি ইস্যুতে জেপিসি দাবি নিয়ে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল তা নিয়েও কথা হয়। কথা হয় বিরোধী জোট নিয়েও। কিন্তু তারপরই পাওয়ার দল কর্নাটক নির্বাচনে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

এনসিপি এই সপ্তাহের শুরুতে জাতীয় দলের মর্যাদা হারিয়েছে। গোয়া, মণিপুর এবং মেঘালয়ে রাজ্য দলের মর্যাদাও হারিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং সিপিআইও তাদের জাতীয় দলের মর্যাদা হারিয়েছে। নির্বাচন কমিশন বলেছে, এই দলগুলি আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচন-সহ ভবিষ্যতের নির্বাচনে তাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে মর্যাদা ফিরে পেতে পারে। তারপরই কর্নাটকে ভোটে লড়ার সিদ্ধান এনসিপির।












Click it and Unblock the Notifications