অযোধ্যার মসজিদের জন্যও গঠন করা হোক ট্রাস্ট, দাবি শরদ পাওয়ারের
রাম মন্দির নির্মাণ তদারকির জন্য গঠিত ট্রাস্টের মতো মসজিদ তৈরির জন্যও একটি ট্রাস্ট গঠন করা হোক। কেন্দ্রের কাছে এমনই দাবি করেন এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার। বুধবার একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় এই কথা বলেন শরদ পাওয়ার। প্রসঙ্গত, দিল্লি নির্বাচনের আগেই 'শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র' নামের একটি ট্রাস্ট তৈরির কথা লোকসভায় ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

কেন্দ্রকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন শরদ পাওয়ার
শরদ পাওয়ার কেন্দ্রের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, 'আপনারা রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ট্রাস্ট তৈরি করতে পারলে অযোধ্যার মসজিদ তৈরির জন্যও একটি ট্রাস্ট গঠন করা উচিত। এই দেশ সবার জন্য। সবার সমান অধিকার রয়েছে।'

মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দের ঘোষণা
৫ ফেব্রুয়ারি রামমন্দিরের জন্য ৬৭ একর জমি বরাদ্দের ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তারই সঙ্গে সমজিদের জন্যে স্থির করা স্থানের ঘোষণা হয়। জানিয়ে দেওয়া হয় প্রস্তাবিত রামমন্দিরের থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে এই মসজিদ নির্মাণের জন্য জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। লখনউ হাইওয়ের পাশে ধন্নিপুর গ্রামের ৫ একর জমি এই মসজিদ নির্মাণের জন্যে তুলে দেওয়া হবে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের হাতে।

রামমন্দির থেকে ৩০ কিলোমিটার দূর তৈরি হবে মসজিদ
বিশেষজ্ঞদের মতে প্রথম থেকেই হিন্দু পক্ষরা দাবি করে এসেছিল যে মন্দিরের পরিক্রমা বলয় থেকে বাইরে মসজিদের জমি বরাদ্দ করতে হবে। অযোধ্য মন্দিরের জমি থেকে এই বরাদ্দকৃত মসজিদের জমিটি ৩০ কিলেমিটার। আর মন্দিরের পরিক্রমার রাস্তা মন্দিরের ১৪ কিলোমিটার ব্যসের মধ্যে।

অযোধ্যায় জমি নিয়ে অশন্তোষ মুসলিমদের মধ্যে
এদিকে এই জমি নিয়ে অসন্তোষ দেখা গিয়েছে মুসলিমদের মধ্যে। তাদের যুক্তি শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় এখানে এসে নাামাজ আদায় করা খুব কঠি হতে চলেছে তাদের জন্য। এই নিয়ে সরব হয়েছে এল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে দেওয়া এই জমি মুসলিমদের প্রতি অবিচার বলে আখ্যা দিয়েছে তারা।












Click it and Unblock the Notifications