• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

চোর সন্দেহে প্রহার! মুসলিম যুবককে দিয়ে জয় শ্রীরাম বলানোর পর পিটিয়ে খুনের অভিযোগ

ঝাড়খণ্ডে জোর করে জয় শ্রীরাম, জয় হনুমান বলিয়ে মুসলিম তরুণকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁকে চোর সন্দেহে ধরা হয়েছিল। বছর ২৪-এর হতভাগ্য যুবকের নাম তাবরেজ আনসারি বলে জানা গিয়েছে।

চোর সন্দেহে প্রহার! কংগ্রেস শাসিত রাজ্যে মুসলিম যুবককে দিয়ে জয় শ্রীরাম বলানোর পর খুনের অভিযোগ

চোর সন্দেহে মারধর। বিজেপি শাসিত ঝাড়খণ্ডের খাড়সওয়ান জেলায় চোর সন্দেহে ধরা হয়েছিল হতভাগ্য মুসলিম যুবককে। ১৮ জুন উত্তেজিত জনতা তাঁর ওপর হামলা চালায়। তারপর তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর ওই যুবককে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে নেওয়া হয় ১৮ জুনেই। অবস্থা খারাপ হওয়ায় ২২ জুন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেই দিনই মৃত্যু হয় ওই যুবকের।

এই ঘটনার একাধিক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সেই ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে তাবরেজকে লাঠি দিয়ে আঘার করা হচ্ছে। জোর করে তাঁকে জয় শ্রীরাম এবং জয় হনুমান বলানো হচ্ছে।

জানা গিয়েছে ১৮ জুন রাতে তাবরেজ আহমেদ দুজনকে সঙ্গে নিয়ে গ্রাম ছেড়ে জামশেদপুরে উদ্দেশে রওনা হয়। চুরি করার পর দুই সঙ্গী পালিয়ে যায়। সেই সময় উত্তেজিত জনতা তাবরেজকে ধরে ফেলে এবং তাঁকে ব্যাপক মারধর করে। যদিও এই চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা শেষ পর্যন্ত অস্বীকার করে গিয়েছে সে। একইসঙ্গে দাবি করেছে, সঙ্গে থাকা দুজন এই চুরি করেছে। তবে সেই চুরি সম্পর্কে সে কিছুই জানে না।

তাবরেজের মৃত্যুর পরেই অভিযুক্ত একজনকে পাপ্পু মণ্ডল নামে চিহ্নিত করা হয়। তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অপর জনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

গণপ্রহারের ঘটনায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, তাবরেজ পুনেতে ঝালাইয়ের কাজ করত। ইদের ছুটিতে সে বাড়িতে গিয়েছিল। পরিবারের দাবি, নাম শুনেই তাবরেজকে মারধর শুরু করা হয়।

English summary
Muslim Youth was allegedly hitting with stick while forcing him to chant Jai Shri Ram in Jharkhand
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more