করোনা লকডাউনের দ্বিতীয় দফায় কড়া সংযম পুরএলাকায়, ছাড় পাবে গ্রামীণ এলাকা
করোনা লকডাউনের দ্বিতীয় দফায় নতুন গাইডলাইন জারি করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাতে পুরএলাকা গুলিকে কড়া সংযম বজায় রাখার নির্দেশ জারি করা হয়েছে
করোনা লকডাউনের দ্বিতীয় দফায় নতুন গাইডলাইন জারি করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাতে পুরএলাকা গুলিকে কড়া সংযম বজায় রাখার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। ছাড় দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ এলাকা গুলিতে। গ্রামাঞ্চলের অর্থনীতি যাতে ভেঙে না পড়ে সেকারণেই বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং বজায় রেখেই সেই ছাড় দেওয়া হবে বলে গাইডলাইনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেজ এবং রপ্তানিতে ছাড়
সেজ এলাকায় উৎপাদনে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামি ২০ এপ্রিল থেকে সেজ এলাকায় উৎপাদনে ছাড় দেওয়া হবে। একই সঙ্গে রপ্তানি ক্ষেত্রেও কিছু ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেকারণে যেসব কারখানা উৎপাদন শুরু করবে তাঁদের শ্রমিকদের পরিবহণের সুবিধা কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে বলে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। ওষুধ, মাস্ক সহ অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রির উৎপাদন এবং পরিবহণে ছাড় বহাল থাকবে।

পুর এলাকায় কড়াকড়ি
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে পুর এলাকায় সংযম বজায় রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে। ৩ মে পর্যন্ত সবরকম পরিবহণ বন্ধ থাকবে। স্কুল, কলেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সিনেমা হন, জিম সব বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। চালানো যাবে না অটো, ট্যাক্সি, ক্যাবও। দেশীয় এবং আন্তর্জািতক বিমান পরিষেবাও বন্ধ থাকবে। কোনও রকম ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না।

হটস্পট এলাকায় কিছুটা রাশ আলগা
২০ এপ্রিলের পর সংক্রমণ কমেছে দেখতে পেলে হটস্পট এলাকায় লকডাউন কিছুটা শিথিল করা হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কৃষি, উদ্যোন, কৃষিজ পণ্যের দোকান, মান্ডি খোলা যাবে ২০ এপ্রিলের পর। ধাবা, ট্রাক সারাইয়ের দোকান, সরকারি কাজের জন্য কলসেন্টার খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে ২০ এপ্রিলের পর। কাঠের মিস্ত্রি, ইলেকট্রিক মিস্ত্রিরা কাজ শুরু করতে পারবেন ২০ এপ্রিলের পর।












Click it and Unblock the Notifications