প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানেও করোনা আতঙ্ক! বাদ পড়ছে একাধিক অনুষ্ঠান, কমছে দর্শক সংখ্যাও
প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানেও করোনা আতঙ্ক! বাদ পড়ছে একাধিক অনুষ্ঠান, কমছে দর্শক সংখ্যাও
বছর শেষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও এখনও গোটা বিশ্বজুড়েই চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই ভারতে ঢুকে পড়ছে ব্রিটেনের নয়া করোনা স্ট্রেন, আর তাতেই নতুন করে বাড়ছে উদ্বেগ। এদিকে নতুন বছর শুরু আগেই প্রজাতন্ত্র দিবস পালনের জোরদার প্রস্তুতিও শুরু করে ফেলেছে কেন্দ্র। কিন্তু করোনার কারণেই বদলে যাচ্ছে একাধিক নিয়ম।

মহড়া চলাকালীন করোনা আক্রান্ত ১৫০ সেনা
এদিকে দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে প্রজাতন্ত্র দিবসের মহড়া। গত নভেম্বর থেকেই দেশের নানা প্রান্ত থেকে রাজধানীতে এসে একত্রিত হচ্ছেন সেনারা। এবার সেখানেও থাবা বসালো মারণ করোনা। সূত্রের খবর, ২৬ জানুয়রির কুচকাওয়াজে অংশ নিতে যাওয়া প্রায় ১৫০ জন সেনা ইতিমধ্যেই মারণ করোনার দ্বারা সংক্রমিত হয়েছে। রুটিন করোনা টেস্টিংয়ের সময়েই তাঁদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা সামনে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে।

বদলে যাচ্ছে প্যারেডের রুট
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আতঙ্কের বাতাবরণের মধ্যেই নতুন করে সংক্রমণ ঠেকাতে প্যারেড থেকে সেনা সজ্জা প্রতিক্ষেত্রেই এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসে থাকছে বড়সড় রদবদল। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের জন্য লাল্ল কেল্লায় শেষ হবে না প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ। বদলে বিজয় চক থেকে কুচকাওয়াজ শুরু হয়ে ন্যাশানাল স্টেডিয়ামে শেষ হবে বলে জানা যাচ্ছে।

কমানো হচ্ছে কুচকাওয়াজের যাত্রাপথের দৈর্ঘ্যও
সহজ কথায়, শারীরিক দূরত্বের মতো করোনা বিধির যথাযথ পালনের কথা মাথায় রেখেই কুচকাওয়াজের যাত্রাপথ প্রায় তিন ভাগের এক ভাগে নামিয়ে আনা হয়েছে। আগে যা ছিল প্রায় ৮.২ কিলোমমিটার, চলতি বছরে করোনা আতঙ্কের জেরে তা হচ্ছে ৩.৩ কিলোমিটার। পাশাপাশি মার্চিং কন্টিনজেন্টের আকারেও আসছে বড়সড় রদবদল।

কমানো হচ্ছে দর্শক সংখ্যাও
সূত্রের খবর, এবারের মার্চিং কন্টিনজেন্ট গুলিতে ১৪৪ জন সেনার বদলে থাকছে ৯৬ জন। পাশাপাশি মার্চে অংশ নেওয়া প্রতি সেনার মুখে মাস্ক থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি দর্শক সংখ্যা এবারে ১ লক্ষ ১৫ হাজার থেকে কমিয়ে ২৫ হাজার করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে খবর।

প্রধান অতিথি হিসাবে আসছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
একইসাথে অনুষ্ঠান স্থলে ঢোকা বেরোনোর ক্ষেত্রেও থাকছে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা। এমনকী বাদ দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনাও। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধান অতিথি হয়ে আসার কথা রয়েছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনশনের। কিছুদিন আগেই নরেন্দ্র মোদী নিজেক তাকে আমন্ত্রণ জানান বলে জানা যায়। পরবর্তীতে বরিসের আমন্ত্রণ গ্রহণের কথা সরকারি ভাবে জানানো হয় ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications