• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

৪ বছর টানা ঘরে বন্দি মা ও মেয়েকে উদ্ধার করল পুলিশ, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

নয়াদিল্লি, ২৩ মার্চ : দিল্লির মহাবীর এনক্লেভের এক মহিলা ও তাঁর মেয়ের টানা ৪ বছর ধরে ঘরে বন্ধ হয়ে থাকার ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। আজ দিল্লি পুলিশ তাঁদের দুজনকে উদ্ধার করে। উদ্ধার করার পর পুলিশের দাবি এঁরা মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।

৪২ বছর বয়সী কলাবতী ও তাঁর মেয়ে ২০ বছর বয়সী মেয়ে দীপা নিজেদের বাড়ির দোতলার ঘরে নিজেদের আটকে রেখেছিলেন। ওই একই বাড়িতে কলাবতীর শ্বশুরমশাই মহাবীর মিশ্রও থাকেন। ঘটনার প্রেক্ষিতে তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। কলাবতীর শ্বশুরমশাই মহাবীর মিশ্র জানিয়েছেন, এই ৪ বছরে ওই ঘর থেকে তাঁর পুত্রবধূ ও নাতনি যখন খাবার চেয়েছেন, তখন গিয়ে তাঁদের খাবার দিয়ে এসেছেন তিনি।

৪ বছর টানা ঘরে বন্দি মা ও মেয়েকে উদ্ধার করল পুলিশ, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

এছাড়াও মহাবীর মিশ্রের বক্তব্য, ৪ বছর আগে তাঁর ২ ছেলে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান। তরপর থেকেই পূত্রবধু কলাবতী ও নাতনি দীপা ওই ঘরে নিজেদের বন্ধ করে রাখেন। পাশাপাশি পুলিশ সূত্রের দাবি, ওই দুই মহিলা ' হ্যালুসিনেশন' -এ ভুগছিলেন, অর্থাৎ তাঁরা প্রায়ই অলীক কিছু দেখতে পেতেন বলে নিজেরা দাবি করতেন।

পুলিশ সূত্রের খবর , ঘর খুলেই দেখা যায় পুষ্টির অভাবজনিত কারণে দুজনেরই চেহারা বিদ্ধস্ত। পাশপাশি ঘরটিও চূড়ান্ত অপরিচ্ছন্ন তথা সুস্থভাবে বসবাসের অযোগ্য। এদিকে ওই দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে গেলে, তাঁরা চিকিৎসার জন্য অস্বীকার করেন। যদিও পরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

English summary
The Delhi Police rescued a mother-daughter duo who had allegedly locked themselves up at their house four years ago in southwest Delhi's Mahavir Enclave area on Wednesday. They are apparently suffering from depression.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more