গুজরাতে পা কাঁপছে কংগ্রেসের! বিজেপিমুখী হতে চলেছেন আরও বিধায়ক
গুজরাতে কংগ্রেসের ৪ বিধায়কের ইস্তফাতে এমনিতেই অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে হাত শিবির। সেই অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে বলেই খবর। রাজ্যসভার ভোটের আগে কংগ্রেস শিবির এভাবে ভেঙে যাওয়ায় বিজেপির বিশাল লাভ হয়েছে। এদিকে কংগ্রেসের দিক থেকে বিধায়কদের কেনা বাচার অভিযোগ এলেও তা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে পদ্ম শিবিরের তরফ থেকে।

বিজেপিমুখী আরও কংগ্রেস বিধায়ক
এদিন কংগ্রেস বিধায়কদের ইস্তফার প্রসঙ্গে মোদী রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী নীতিন প্যাটেল বলেন, 'আমি তো জানি যে আরও অনেক কংগ্রেস বিধায়ক ইস্তফা পত্র জমা দেওয়ার জন্য তৈরি রয়েছেন। এরপর সেই বিধায়করা যদি আমাদের দলে যোগ দিতে চান আমরা তাঁদের স্বাগত জানাব। আপাতত আমরা শুধু পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।'

কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্বকে দায়ি করল বিজেপি
এরপর তিনি আরও বলেন, 'দেখুন, আমি আগেও বলেছই, আবারও বলছি। এই পরিস্থিতি কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব থেকে উপনীত হয়েছে। এতে আমাদের দলের কোনও হাত নেই। তবে এই কংগ্রেস বিধায়কদের অনেকেই বিজেপির কাজে সন্তুষ্ট। এবং দলের মতবাদের সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে পাচ্ছেন বলে তাঁরা আমাদের দলে যোগ দিতেও ইচ্ছুক। যারা আমাদের দলে যোগ দিতে চান তাঁদের দল স্বাগত জানাবে।'

গুজরাতে কগ্রেসের শক্তি হ্রাস
এদিকে ৪ বিধায়কের ইস্তফায় ১৮২ সদস্যের গুজরাত বিধানসভায় কংগ্রেসের শক্তি ৭৩ থেকে কমে হল ৬৯। ইতিমধ্যই কংগ্রেস ১৪ জন বিধায়ককে সরিয়েছে জয়পুরে।

রাজ্যসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি
বিধানসভায় বিজেপির যা শক্তি তাতে ২ প্রার্থীকে তারা জিতিয়ে আনতে পারবে। কিন্তু বিজেপির তরফ থেকে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন পেশ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন অভয় ভরদ্বাজ, রমিলা বারা এবং নরহরি আমিন। তৃতীয় প্রার্থীকে জেতাতে বিরোধী পক্ষের ভোট জরুরি বিজেপির। একটি মাত্র আসনের জন্য কংগ্রেস প্রার্থী ভরতসিন সোলাঙ্কি। এদিকে কংগ্রেসের বিধায়কদের ইস্তফাতে প্রয়োজনীয় ভোটের সমাকরণও বদলে যাচ্ছে, যাতে আরও চাপে পড়েছে কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications