• search

ডিভোর্সের মামলায় খরপোশের দাবির লড়াইয়ে পুত্রবধূর পাশে শাশুড়ি

  • By Sritama Mitra
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    কর্ণাটকের প্রাক্তন মন্ত্রীর ছেলে দেবানন্দ শিবশঙ্করাপ্পাকে ষাট দিনের মাথায় ৪ কোটি টাকা খরপোশের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে খবর এটা নয়, খবর হল, এই হাইপ্রোফাইল ডিভোর্সের মামলায় পুত্রবধুর খরপোশের দাবিকে সমর্থন করে, আদালতে পুত্রবধূর পাশে দাঁড়িয়েছেন শিবশঙ্করাপ্পার মা।

    ২০১৫ সালেই ৪.৮৫ কোটি টাকার খরপোশ চেয়ে শিবশঙ্করাপ্পার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তাঁর স্ত্রী। পরে দুজনের মধ্যে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হলেও , লাভের লাভ কিছুই হয়নি। আদালত জানতে পারে ২০১২ সাল থেকেই তাঁরা আলাদা রয়েছেন।

    ডিভোর্সের মামলায় খরপোশের দাবির লড়াইয়ে পুত্রবধুর পাশে শাশুড়ি

    এছাড়াও আদালতে আশ্চর্যজনকভাবে ছেলের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে কথা বলেন তাঁর মা । শিবশঙ্করাপ্পার মা জানিয়েছেন , তাঁর ছেলের আরো একটি বিয়ে রয়েছে। যা সে পরিবারের অমতে করেছে, পাশপাশি সেই বিয়ে থেকে একটি সন্তানও রয়েছে শিবশঙ্করাপ্পার। আর সেই কারণেই বিবাহ বিচ্ছেদের দাবি তোলা শিবশঙ্করাপ্পার স্ত্রীয়ের যাবতীয় দাবি তিনি সমর্থন করেন বলে জানান শিবশঙ্করাপ্পার মা । তিনি বলেন, যে দাবি করা টাকা খোরপোশ দেওয়ার মতো ক্ষমতা শিবশঙ্করাপ্পার রয়েছে।

    উল্লেখ্য, আদালতে পুত্রবধূর সমর্থনে শাশুড়ির এই ভাবে পাশে দাঁড়ানো নিঃসন্দেহে এক বিরল ঘটনা। যেখানে খোদ নিজের সন্তানের বিরুদ্ধেই মাকে সাক্ষ্য দিতে হয়েছে। সেদিক থেকে এই ঘটনা বোঝায় যে নিজের ছেলের কর্মকাণ্ড নিয়ে কতটা বিতৃষ্ণ হলে একজন মা এই ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারেন।

    English summary
    A city family court directed Devanand Shivashankarappa Kashappanavar, son of the late former Karnataka minister S R Kashappanavar, to pay Rs 4 crore as permanent alimony to his wife within 60 days. The verdict was pronounced on July 24, 2017.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more