• search

মাত্র ৭ ঘণ্টায় ধর্ষণ মামলার রায় দিলেন বিচারক, হইচই মধ্যপ্রদেশে

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ১৪ বছরের কিশোরকে চার বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করার দায়ে ২ বছরের সাজা দিলেন বিচারক। মামলা দায়ের থেকে সাজা ঘোষণা হচে লাগল মাত্র পাঁচ দিন। আর শুনানি থেকে রায় ঘোষণা পর্যন্ত সময় লাগল মাত্র ৭ ঘণ্টা। একই দিনে সকাল থেকে শুরু করে বিকেলের মধ্যে রায় শুনিয়ে অভিযুক্ত কিশোরকে জুভেনাইল হোমে পাঠিয়ে দিলেন বিচারক।

    মাত্র ৭ ঘণ্টায় ধর্ষণ মামলার রায় দিলেন বিচারক, হইচই মধ্যপ্রদেশে

    ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশে। জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের বিচারক তৃপ্তি পান্ডে এই অসাধ্যসাধন করেছেন বলে জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবী দীপেন্দ্র মালু।

    গত ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন ঘটনা ঘটে। মামলা দায়ের করা থেকে সাজা ঘোষণা পর্যন্ত সময় লেগেছে মাত্র ৫ দিন। ২০ অগাস্ট সন্ধ্যা ৬টায় বিচারক সাজা ঘোষণা করেছেন।

    [আরও পড়ুন: দুমাসে শেষ বিচার প্রক্রিয়া, নাবালিকা ধর্ষণে মৃত্যুদন্ড হল দুই ব্যক্তির]

    আদালতের কাছে সোমবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে কেস ডায়েরি জমা করা হয়। বিকেলেই সাজা ঘোষণা হয়েছে। ২০১২ সালে পকসো আইন বলবৎ হওয়ার পরে এত কম সময়ে সাজা ঘোষণা আর কোনও মামলায় হয়নি বলে সরকারি আইনজীবী জানিয়েছেন।

    [আরও পড়ুন: রাজ্যে বাজপেয়ীর অস্থিকলস যাত্রা সূচির পরিবর্তন! বিসর্জন দেওয়া হবে গঙ্গাসাগর-সহ ৫ জায়গায়]

    ঘটনার দিন সকালে নিজের বাড়িতে অন্যদের সঙ্গে খেলছিল শিশুটি। সেখানেই ধর্ষণ করা হয়। পরে সে রাজস্থানে পালিয়ে যায়। সেখানে আত্মীয়ের বাড়ি থেকে কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। ভারতীয় দণ্ডবিধি মেনে পকসো আইনে বিচারক সাজা ঘোষণা করেছেন।

    [আরও পড়ুন: পানশালায় পুলিশি হানা, উদ্ধার হল ৫৫ তরুণী, গ্রেফতার ১১ ]

    English summary
    Minor boy convicted for raping in Madhya Pradesh, trial completed in just 7 hours

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more