• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ব্যর্থ সব পর্যায়ের আলোচনা, শীতের আগে লাদাখে ভারত-চিন সংঘাত মেটানোর একমাত্র উপায় কী?

লাদাখের পরিস্থিতি কি আদৌ শান্ত হবে, নাকি দীর্ঘ স্ট্যান্ড-অফের জন্য তৈরি হচ্ছে দুই দেশই। দুই দেশই যে তৈরি, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তবে এই প্রস্তুতিতে রয়েছে ফারাক। ভারত তৈরি হচ্ছে নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষার্থে। অপরদিকে চিন তৈরি হচ্ছে নিজেদের আগ্রাসী উচ্চাকাঙ্খাকে পূরণ করার লক্ষ্যে। তবে খাতায় কলমে শান্তির বার্তা দিচ্ছে দুই দেশই। এর লক্ষ্যে পরপর বৈঠকও বসছে তারা। তবে কোনও সুরাহাই বের হচ্ছে না তার থেকে।

চিনের একগুঁয়ে মনোভাব

চিনের একগুঁয়ে মনোভাব

সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, আলোচনায় চিনের পক্ষ থেকে তাদের একগুঁয়ে মনোভাব বজায় রাখা হয়েছে। পূর্ব লাদাখে তারা যে অবস্থানে রয়েছে সেখান থেকে সেনা না সরাতে অনড় চিন। প্যাংগং হ্রদের উত্তর পাড়, ডেসপাং ও হট স্প্রিং এলাকায় চিনারা যেখানে অবস্থান, সেখান থেকে যে কোনও প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিতে সেনা সরানোর প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে তারা।

প্যাংগং নিয়ে পিএলএ-র দাবি

প্যাংগং নিয়ে পিএলএ-র দাবি

এর সঙ্গে পিএলএ দাবি করেছে যে প্যাংগং সো এর দক্ষিণ পাড়ে ভারতীয় সেনা যে সমস্ত জায়গায় নতুন করে অবস্থান করা শুরু করেছে, সেখান থেকে সরে যেতে হবে। যা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয় ভারতের জন্য। সূত্রের তরফ থেকে আরও জানা গিয়েছে যে অচলাবস্থা কাটানোর জন্য যেহেতু কোনও অগ্রগতি হচ্ছে না, তাই আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আবার এই নিয়ে বৈঠকের বিষয়ে উভয় পক্ষ সহমত হয়েছে।

সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য প্রস্তুত ভারত?

সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য প্রস্তুত ভারত?

ভারত মনে করছে যে সম্ভাব্য যুদ্ধ বা সংঘাতের জন্য তাদের প্রস্তুতি ভালো। চিনকে রুখে দিতে তাদের কোনও অসুবিধা হবে না। ভারতীয় সেনা হয়ত এবার দেশের এলাকা বাঁচাতে সক্ষম হবে, তবে তার জন্য কী দাম দিতে হবে, সেটাও দিল্লি খুব ভালো করে জানে। তাই যুদ্ধের থেকে শান্তির পথই বেশি প্রসারিত করা উচিত। আর যুদ্ধে যেকোনও কিছু হতে পারে। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের জন্যও কিন্তু ভারতের প্রস্তুতি খুব কম ছিল না। অবশ্য এবার যুদ্ধ লাগলে প্রায় ৫০ হাজার সেনা ছাড়াও সুখোই, মিগ-২৯, রাফাল যুদ্ধবিমানের সাহায্য পাবে ভারত।

১৯৬২ সালের আগে ভারতের সামরিক প্রস্তুতি

১৯৬২ সালের আগে ভারতের সামরিক প্রস্তুতি

১৯৬২ সালের আগে ভারতের সামরিক প্রস্তুতিও কিন্তু কম মজবুত ছিল না। বরং কৌশলগত নিরিখে থেকে ভারত নানা দিকে সুবিধাজনক স্থানে ছিল। যেমন থাং লা পোস্ট, যার সামনেই ছিল তিব্বত ও খেনজেমানের কিছু গ্রাম, ঢোলা পোস্ট এবং ম্যাকমোহন লাইনের কাছে অবস্থিত আরও কিছু এলাকা। ১৯৫৯ সাল থেকে শুরু করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত নেহরু সরকার টহলদারি সেনার ছাউনিগুলির মধ্যবর্তী সমস্ত ফাঁকা এলাকায় সেনা মোতায়েন করে ঢেকে দিয়েছিলেন।

নির্ধারিত পদ্ধতি ও প্রোটোকল ভেঙে পড়বে

নির্ধারিত পদ্ধতি ও প্রোটোকল ভেঙে পড়বে

তবে, যুদ্ধে যেকোনও কিছু হতে পারে। সেবার ভারত হেরে গিয়েছিল। আর এবারও অক্টোবরের আগে সমাধান সূত্র বেরিয়ে না এলে চিন আক্রমণ চালাতে পারে লাদাখে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। আরও উত্তপ্ত হওয়ার দিকে যেতে পারে ভারত-চিন সম্পর্ক। যার জেরে সেনা সরানো নিয়ে সমস্ত নির্ধারিত পদ্ধতি ও প্রোটোকল ভেঙে পড়তে পারে।

অর্থনৈতিক ভাবে বেহাল দশা ভারতের

অর্থনৈতিক ভাবে বেহাল দশা ভারতের

বিভিন্ন অর্থনৈতিক কারণ ও করোনার এর মারাত্মক আঘাতের জেরে ভারতীয় অর্থনীতির পতন শুরু হয়েছে। অক্টোবর থেকে জানুয়ারি দেশে উৎসবের মরসুম ও রবি শস্য ফলনের মরসুম। এই সময়টা অর্থনীতিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। কারণ, এই সময় উৎসব, বিয়ে হয় এবং গ্রাহকদের চাহিদাও বেশি থাকে। এটা ভারতীয় অর্থনীতিকে কিছুটা হলেও পতন আটকাতে সাহায্য করবে এবং যে ক্ষতি হতে চলেছে, তা কিছুটা হলেও কমাতে পারবে। তবে সংঘাতের ক্ষেত্রে অর্থনীতি কিন্তু আরও তলানিতে গিয়ে ঠেকবে।

একাধিক পর্যায়ে ভারত-চিন বৈঠক

একাধিক পর্যায়ে ভারত-চিন বৈঠক

সেপ্টেম্বরের ৪ তারিখ প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং মস্কোতে চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংগের সঙ্গে বৈঠক করেন। মস্কোতেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখ বৈঠক করেন চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে। চিন বিষয়ে ভারতের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন অজিত ডোভাল। তিনি আবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। তিনি জুলাই মাসে ভার্চুয়াল মাধ্যমে চিনের ওয়্যাং ই এর সঙ্গে বৈঠক করেন। কমান্ডার পর্যায়ের যে বৈঠক সোমবার চুশুল-মল্ডোতে হয়েছে, লেফটেন্যান্ট জেনেরাল পর্যায়ের ষষ্ঠ বৈঠক।

দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকেই সমস্যার সমাধান হতে পারে

দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকেই সমস্যার সমাধান হতে পারে

আলোচনার সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে, এখন কেবলমাত্র দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকেই সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, উভয়েই অত্যন্ত জাতীয়তাবাদী নেতা হিসেবে নিজেদের দেশে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন। সমস্যার সমাধানে তাঁদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

মোদী ও শি-এর পর্যায়ের বৈঠক প্রয়োজন

মোদী ও শি-এর পর্যায়ের বৈঠক প্রয়োজন

ভারত ও চিনের মধ্যে সমস্যার পরিস্থিতি এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, যেখানে উভয় দেশের একেবারে সর্বোচ্চ পর্যায়ে এটা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। যেখানে এই দীর্ঘ সময় ধরে চলা সমস্যার সমাধান করা যাবে। সীমান্তে এখন যে পরিস্থিতি রয়েছে, তার সমাধান করতে বর্তমানের সমস্ত প্রক্রিয়া ব্যর্থ। এর ফলে এটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে আবার মোদী ও শি-এর পর্যায়ের বৈঠকে ফিরে যাওয়া উচিত।

কলকাতা : অভিনেত্রী মিমির সাথে অশালীন আচরণের ঘটনায় অভিযুক্তকে শনাক্ত করলেন মিমি

লাদাখের ড্রাই পিচে যেভাবে মোদী-শাহ জুটিকে ভরসা যোগাচ্ছেন 'অপরিহার্য' রাজনাথ সিং!

English summary
Meeting between Narendra Modi and Xi Jinping might be the only way to resolve Ladakh's rising tension
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X