• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

৪ মাসের শিশুকে দেওয়া হল 'পেন কিলার', চিকিৎসার এমন গাফিলতির পরিণামে যা হল

এ রাজ্য সদ্য দেখেছে এক সন্তানহারা মায়ের কান্না। কোল শূন্য হওয়ার চরম আর্তানাদে ভেঙে পড়েছেন কলকাতার ঐত্রীর মা। সজল নয়নে তাঁর দাবি কলকাতার নামজাদা হাসপাতাল আমরি-তে চিকিৎসার গাফিলতিতে মারা গিয়েছে তাঁর ছোট্ট মেয়েটি। আর এবার রাজ্য থেকে দূর রাজধানী দিল্লির এক করুণ ঘটনার খবর। সেখানেও সন্তান হারানোর কান্নায় কাতর আরেক মা।

৪ মাসের শিশুকে দেওয়া হল 'পেন কিলার', চিকিৎসার এমন গাফিলতির পরিণামে যা হল

দিল্লির রোহিনী এলাকার জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতাল। সেখানে ১৭ জানুয়ারি ভর্তি করা হয় এক দুধের শিশুকে। ৪ মাস বয়সী ওই শিশুর ওপরের ঠোঁট টি কাটা ছিল। সেই কাটা জায়গা জুড়তে চিকিৎসকরা স্টিচ করার সিদ্ধান্ত নেন। যাতে সম্মতি জানায় পরিবার।একটি ছোট অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সফল অস্ত্রপচারের পর শিশুকে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়াও হয়। এরপরই আধঘণ্টা ধরে কাঁদতে থাকে শিশুটি। চিকিৎসকদের একথা জানানো হলে, ৪ মাসের শিশুকে তারা পেন কিলার ইঞ্জেকশন দিয়ে দেন। পরিবারে দাবি, এরপরই প্রাণোচ্ছল দেহটি নিথর হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আবারও চিকিৎসককে ডাকা হয়। ৪ মাসের ছোট্ট শিশুকে ভর্তি করা হয় আইসিইউ-তে। ১ ঘণ্টা তাকে সেখানে রাখা হয়। তারপর চিকিৎসক বেরিয়ে এসে জানান, ওষুধ নিতে পারেনি বলেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। ছোট্ট একটা প্রাণ এভাবে চলে যাওয়ার শোক কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না সন্তানের মা বাবা। কলকাতার ঐত্রীর মায়ের মতো তাঁর সজল চোখও আজ বাঁধ মানছে না।

English summary
In a case of alleged medical negligence, a four-month-old baby died at a city hospital on Friday, after being administered a pain killer injection to provide temporary relief from the pain caused by a stitch in the upper lip.
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more